নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ও সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির চক্রের হদিশ মিলল মুর্শিদাবাদের সূতিতে। সীমান্তবর্তী এলাকায় আধার সেন্টার তৈরি করে জাল কার্ড তৈরি করা হতো বলেই জানিয়েছে পুলিস। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সূতির তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। শনিবার রাতে সূতির নুরপুরে একটি দোকানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জাল আধার কার্ডের এনরোলমেন্ট স্লিপ সহ আধার কার্ড তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। ধৃতরা হল ইসমাইল শেখ, আকবর আলি, মনোজকুমার মণ্ডল। ইসমাইল ও আকবর বড় কাকরামারির বাসিন্দা, মনোজের বাড়ি রমাকান্তপুর। এক একটি ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির বিনিময়ে মোটা টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই খবর পেতেই সেখানে হানা দেয় পুলিস। কীভাবে তারা এই ভুয়ো আধার কার্ডের চক্র চালাত এবং এই কারবারে আর কারা জড়িত আছে, তা জানতে ধৃতদের হেফাজত নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিস।
Advertisement
ফরাক্কার এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা গভীর রাতে ওই দোকানে হানা দিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এরা ভুয়ো আধার তৈরি করত বলে জানা গিয়েছে। এই চক্রে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার জন্য আমরা অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। ধৃতদের রবিবার জঙ্গিপুর আদালতে তুলে ছয়দিনের পুলিসি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
জাল আধার কার্ড ও অন্যান্য নথি ব্যাবহার করে যখন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাসপোর্ট তৈরি চক্রের পণ্ডাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঠিক তখনই অবৈধভাবে জাল আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রের হদিশ মিলতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূতি থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই দোকান থেকে বেশকিছু আধার কার্ড, ল্যাপটপ, স্ক্যানার, প্রিন্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আটক তিন যুবকের কথাবার্তায় প্রচুর অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পুলিসের কাছে তারা স্বীকার করে আধার কার্ড তৈরির কোনও বৈধ কাগজপত্র তাদের নেই। তা সত্ত্বেও সেখান থেকে একাধিক আধার কার্ড তৈরির প্রচুর এনরোলমেন্ট স্লিপ পাওয়া যায়। ফলে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিস।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের একটি আইডি ব্যবহার করত তারা। সেই আইডির পাসওয়ার্ডও হাতিয়েছিল ধৃতরা। এমনকী হাতানো আইডির মালিকের ল্যাটেক্স ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে নকল করে আইডিতে লগ ইন করত তারা। আধার কার্ড তৈরির জন্য যতবার সিস্টেমে লগ ইন করতে হয়, ততবার মালিকের ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যান করার প্রয়োজন পড়ে। সেই কারণে ধৃত ব্যক্তিরা ‘সিন্থেটিক ল্যাটেক্স’ ব্যবহার করে আসল আইডির মালিকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট জাল করেছিল।
এদিকে, সূতি নূরপুর এলাকার পাশেই পদ্মানদী। নদীর ওপ্রান্তে বিস্তীর্ণ চরাভূমি। কয়েক শত মিটার দূরেই বাংলাদেশ। নুরপুর এলাকা বাংলাদেশের খুব কাছাকাছি হওয়ায় এই এলাকা দিয়েই বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। বিএসএফ জওয়ানরা টহল দিলেও কখনও নদী সাঁতরে, আবার খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়। এর আগে একাধিক বাংলাদেশি যুবককে অবৈধভাবে এদেশে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ফলে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এসে এদেশে ঘাঁটি গেড়ে যদি কেউ আধার কার্ড তৈরি করে নেয়, তাহলে তাকে ধরা অসম্ভব হয়ে যায়। এভাবেই ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করে বহু বাংলাদেশি ভারতীয় হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
জাল আধার কার্ড ও অন্যান্য নথি ব্যাবহার করে যখন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাসপোর্ট তৈরি চক্রের পণ্ডাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঠিক তখনই অবৈধভাবে জাল আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রের হদিশ মিলতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূতি থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই দোকান থেকে বেশকিছু আধার কার্ড, ল্যাপটপ, স্ক্যানার, প্রিন্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আটক তিন যুবকের কথাবার্তায় প্রচুর অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পুলিসের কাছে তারা স্বীকার করে আধার কার্ড তৈরির কোনও বৈধ কাগজপত্র তাদের নেই। তা সত্ত্বেও সেখান থেকে একাধিক আধার কার্ড তৈরির প্রচুর এনরোলমেন্ট স্লিপ পাওয়া যায়। ফলে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিস।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের একটি আইডি ব্যবহার করত তারা। সেই আইডির পাসওয়ার্ডও হাতিয়েছিল ধৃতরা। এমনকী হাতানো আইডির মালিকের ল্যাটেক্স ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে নকল করে আইডিতে লগ ইন করত তারা। আধার কার্ড তৈরির জন্য যতবার সিস্টেমে লগ ইন করতে হয়, ততবার মালিকের ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যান করার প্রয়োজন পড়ে। সেই কারণে ধৃত ব্যক্তিরা ‘সিন্থেটিক ল্যাটেক্স’ ব্যবহার করে আসল আইডির মালিকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট জাল করেছিল।
এদিকে, সূতি নূরপুর এলাকার পাশেই পদ্মানদী। নদীর ওপ্রান্তে বিস্তীর্ণ চরাভূমি। কয়েক শত মিটার দূরেই বাংলাদেশ। নুরপুর এলাকা বাংলাদেশের খুব কাছাকাছি হওয়ায় এই এলাকা দিয়েই বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। বিএসএফ জওয়ানরা টহল দিলেও কখনও নদী সাঁতরে, আবার খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়। এর আগে একাধিক বাংলাদেশি যুবককে অবৈধভাবে এদেশে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ফলে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এসে এদেশে ঘাঁটি গেড়ে যদি কেউ আধার কার্ড তৈরি করে নেয়, তাহলে তাকে ধরা অসম্ভব হয়ে যায়। এভাবেই ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করে বহু বাংলাদেশি ভারতীয় হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।



