সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: মারধরের খবর পেয়ে আক্রান্ত জেঠতুতো দাদাকে দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেই কুপিয়ে খুন করল। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সহদেব ঘোষ(৪২)। শনিবার রাতে সূতির আহিরণে ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। রবিবার সেখানেই তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। ঘটনায় জড়িত এক অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম উদ্ধব ঘোষ। বাকি অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিস জানিয়েছে, এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে।
Advertisement
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় আহিরণে চায়ের দোকানে অন্তু ঘোষের সঙ্গে কয়েকজন দুষ্কৃতীর বচসা হয়। কিছুক্ষণ পর তা মিটেও যায়। এরপর দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে লুকিয়ে ছিল। চায়ের দোকানে অন্তু ঘোষের ভাই রাখহরি ঘোষকে একাকী পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে তিনি কোনওরকমে বাড়ি পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। দুষ্কৃতীরাও তাঁর পিছন পিছন এসে বাড়ির পিছনে লুকিয়ে ছিল। রাখহরিকে মারধরের খবর জানাজানি হতেই আত্মীয় পরিজনরা তাঁকে দেখতে যান। তখন দুষ্কৃতীরা তাঁর তিন আত্মীয়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। ঘটনাস্থলেই তাঁরা সকলে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের সকলকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাখহরি ছাড়া বাকিদের সকলকেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে রেফার করা হয়। সেখান থেকে সহদেবকে কলকাতা মেডিক্যালে রেফার করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে ফিরিয়ে এনে রঘুনাথগঞ্জের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ সহদেববাবুর মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সহদেববাবু পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে মেয়েরা রয়েছে। ঘটনায় মৃতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃতের শ্যালক গৌতম ঘোষ বলেন, জামাইবাবু খুব সাধারণ মানুষ ছিলেন। উনি কোনওদিন কোনও ঝামেলায় থাকতেন না। মারধরের খবর পেয়ে জেঠতুতো ভাইকে দেখতে গিয়েছিলেন। দুষ্কৃতীরা জামাইবাবুকেও ছাড়েনি। ওদের শাস্তি দিক পুলিস।
জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সহদেববাবুর মাথায় দায়ের কোপ দেয়। রড দিয়েও আঘাত করে। মাথায় অন্তত ১৫টি সেলাই পড়ে। বাঁ হাত ও ডানদিকের পাঁজরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
আহিরণ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা বিবি বলেন, ওদের নিজেদের মধ্যে টাকা পয়সা নিয়ে গণ্ডগোল থেকে ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনলাম। মৃতকে ভালো ছেলেই বলেই জানতাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সহদেববাবু পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে মেয়েরা রয়েছে। ঘটনায় মৃতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃতের শ্যালক গৌতম ঘোষ বলেন, জামাইবাবু খুব সাধারণ মানুষ ছিলেন। উনি কোনওদিন কোনও ঝামেলায় থাকতেন না। মারধরের খবর পেয়ে জেঠতুতো ভাইকে দেখতে গিয়েছিলেন। দুষ্কৃতীরা জামাইবাবুকেও ছাড়েনি। ওদের শাস্তি দিক পুলিস।
জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সহদেববাবুর মাথায় দায়ের কোপ দেয়। রড দিয়েও আঘাত করে। মাথায় অন্তত ১৫টি সেলাই পড়ে। বাঁ হাত ও ডানদিকের পাঁজরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
আহিরণ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা বিবি বলেন, ওদের নিজেদের মধ্যে টাকা পয়সা নিয়ে গণ্ডগোল থেকে ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনলাম। মৃতকে ভালো ছেলেই বলেই জানতাম।



