সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে সূতিতে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম পূর্ণিমা কুমারী(২১)। বাড়ি সূতি থানার ছাপঘাটিতে। শুক্রবার সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজনের অভিযোগ, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। যদিও বধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। বধূর শাশুড়িকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, পাঁচ মাস আগে পেশায় রাজমিস্ত্রি রাহুল রবিদাসের সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের পূর্ণিমাদেবীর বিয়ে হয়। বিয়েতে পাত্রকে ৮০হাজার টাকা নগদ সহ আসবাবপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু, তারপরেও বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। সোমবার সকালেও ওই বধূ তাঁর দাদাকে ফোন করে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা জানান। তার কিছুক্ষণ পরই মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। শনিবার জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে মৃতার মা লক্ষ্মী দাস বলেন, খুব কষ্ট করে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। আর কিছুদিন পরই জামাইকে বাইক দেব বলেছিলাম। তবুও ওরা মেয়েটার উপর খুব অত্যাচার করত। শ্বশুরবাড়ির অচ্যাচারেই আমার মেয়েটা অকালে চলে গেল। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। ওরাই মেরে দিয়েছে। ওদের শাস্তি দিক পুলিস।
মৃতার ননদ মাধবী দাস বলেন, ভাই ওড়িশায় রয়েছে। আমি শ্বশুরবাড়িতে ছিলাম। খবর পেয়ে এসেছি। ঘরে মা ও বউদি ছাড়া কেউ ছিল না। তাই খুনের অভিযোগ ঠিক নয়।
মৃতার ননদ মাধবী দাস বলেন, ভাই ওড়িশায় রয়েছে। আমি শ্বশুরবাড়িতে ছিলাম। খবর পেয়ে এসেছি। ঘরে মা ও বউদি ছাড়া কেউ ছিল না। তাই খুনের অভিযোগ ঠিক নয়।



