সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সূতি-১ ব্লকের বংশবাটি পঞ্চায়েতের বাপি রাজবংশী ও সঙ্গীতা মাঝি নামে বিজেপির দুই সদস্য শাসকদলে যোগ দিলেন। রবিবার সকালে তাঁরা সূতিতে তৃণমূলের সভায় এসে যোগদান করেন। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, এই দুই পঞ্চায়েত সদস্যের সঙ্গে প্রায় এক হাজার কর্মী-সমর্থক তাদের দলে যোগ দিয়েছে। বিজেপির উত্তর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ ফোন না ধরায় এবিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
Advertisement
এদিন নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন সহ অন্যরা। এই দুই সদস্য শাসকদলে যোগ দেওয়ায় ওই পঞ্চায়েতে কোনও বিরোধী সদস্য রইল না। সেখানকার ২০টি আসনই শাসকদলের দখলে এল।
বিধায়ক বলেন, এই এলাকার মানুষ আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচিত করে বোর্ড গঠনের ক্ষমতা দিয়েছেন। যে দু’তিনজন বিরোধী সদস্য ছিলেন, তাঁরাও এবার মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নে আস্থা রেখেছেন। এতে ভালোই হল। আমি নবাগতদের বলব, এলাকায় যেন আরও ভালো করে কাজ করা হয়।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বংশবাটিতে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনজন জয়ী হন। গত লোকসভা নির্বাচনের আগেই সেখানকার আলুয়ানির পঞ্চায়েত সদস্য দেবাশিস সরকার তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন বাকি দু’জনও শাসকদলে যোগ দিলেন। সঙ্গীতাদেবী ও বাপিবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করতে শাসকদলে যোগ দিয়েছি। বিরোধী দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না।
ওই পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত সরকার বলেন, আমরা ১৭টি আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করেছিলাম। ধীরে ধীরে ২০টি আসনই আমাদের দখলে এল। সবাই মিলে উন্নয়ন করব।
বিধায়ক বলেন, এই এলাকার মানুষ আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচিত করে বোর্ড গঠনের ক্ষমতা দিয়েছেন। যে দু’তিনজন বিরোধী সদস্য ছিলেন, তাঁরাও এবার মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নে আস্থা রেখেছেন। এতে ভালোই হল। আমি নবাগতদের বলব, এলাকায় যেন আরও ভালো করে কাজ করা হয়।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বংশবাটিতে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনজন জয়ী হন। গত লোকসভা নির্বাচনের আগেই সেখানকার আলুয়ানির পঞ্চায়েত সদস্য দেবাশিস সরকার তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন বাকি দু’জনও শাসকদলে যোগ দিলেন। সঙ্গীতাদেবী ও বাপিবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করতে শাসকদলে যোগ দিয়েছি। বিরোধী দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না।
ওই পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত সরকার বলেন, আমরা ১৭টি আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করেছিলাম। ধীরে ধীরে ২০টি আসনই আমাদের দখলে এল। সবাই মিলে উন্নয়ন করব।



