নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: রবিবার ভোরে এক ঘণ্টা ধরে বৃষ্টি। সঙ্গে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া ও বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি। এদিন সকালের শুরুটা এভাবেই হল ইংলিশবাজার সহ মালদহ জেলাজুড়ে। বৃষ্টিতে চলে যাওয়া শীতের আমেজ খানিকটা ফিরলেও কপালে ভাঁজ আম চাষিদের। ভোরের ঝড়বৃষ্টিতে আমের মুকুল নষ্টের আশঙ্কা করছে উদ্যানপালন দপ্তর। আমের মুকুলে ধরতে পারে ছত্রাক। তাই আম চাষিদের ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
Advertisement
মালদহ জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের উপ অধিকর্তা সামন্ত লায়েক বলেন, দু’টি পর্যায়ে আমের মুকুল বের হয়। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই যে সমস্ত আমের মুকুল বেরিয়েছে, বৃষ্টিতে সেই মুকুলগুলিতে ফাঙ্গাস ইনফেকশনের আশঙ্কা রয়েছে। সেজন্য এখন থেকে ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে যে সমস্ত আমের মুকুল বেরিয়েছে, সেগুলির ক্ষতির সম্ভাবনা কম।
উদ্যানপালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই মালদহের আম বাগানগুলির ৬০ শতাংশের বেশি গাছে মুকুল ধরেছে। এই মুকুলগুলি লক্ষ্মণভোগ প্রজাতির। আমের গুঁটির সঙ্গে ছোট ছোট হালকা ফুল থাকে। বৃষ্টির ফলে ওখানে জল জমে যায়। দু’তিন দিন টানা মেঘলা আকাশ থাকলে ওই ফুলগুলিতে ছত্রাক ধরতে শুরু করবে। যদিও রবিবার সকালে এক ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের পর কিছুটা রোদ দেখা যায়। তবে রোদের খুব একটা তেজ ছিল না বললেই চলে। উদ্যানপালন দপ্তরের আশা, বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় ফাঙ্গাল ইনফেকশনের সম্ভাবনা কিছুটা কম। তবে আমের গুঁটিতে ইনফেকশনের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এজন্য আম চাষিদের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন উদ্যানপালন দপ্তরের বিশেষজ্ঞরা।
ল্যাংড়া, হিমসাগর, বৃন্দাবনী আশ্বিনা, আম্রপালী, মল্লিকা প্রজাতির আমের গুঁটি সবেমাত্র বের হতে শুরু করেছে। ফলে এই ক্ষেত্রে আমের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। উন্নত মানের আমের জন্যই মালদহকে চিনেছে বিশ্ববাসী। বড় ধরনের কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের ফলন বিগত বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই ভালো হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। যার ফলে উন্নতমানের মালদহের আম বিদেশে রপ্তানি করতে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন ও আম ব্যবসায়ীরা। তবে এদিন সকালের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় কিছুটা হলেও আশঙ্কায় পড়েছেন আম চাষিরা ও উদ্যানপালন দপ্তরের কর্তারা।
উদ্যানপালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই মালদহের আম বাগানগুলির ৬০ শতাংশের বেশি গাছে মুকুল ধরেছে। এই মুকুলগুলি লক্ষ্মণভোগ প্রজাতির। আমের গুঁটির সঙ্গে ছোট ছোট হালকা ফুল থাকে। বৃষ্টির ফলে ওখানে জল জমে যায়। দু’তিন দিন টানা মেঘলা আকাশ থাকলে ওই ফুলগুলিতে ছত্রাক ধরতে শুরু করবে। যদিও রবিবার সকালে এক ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের পর কিছুটা রোদ দেখা যায়। তবে রোদের খুব একটা তেজ ছিল না বললেই চলে। উদ্যানপালন দপ্তরের আশা, বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় ফাঙ্গাল ইনফেকশনের সম্ভাবনা কিছুটা কম। তবে আমের গুঁটিতে ইনফেকশনের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এজন্য আম চাষিদের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন উদ্যানপালন দপ্তরের বিশেষজ্ঞরা।
ল্যাংড়া, হিমসাগর, বৃন্দাবনী আশ্বিনা, আম্রপালী, মল্লিকা প্রজাতির আমের গুঁটি সবেমাত্র বের হতে শুরু করেছে। ফলে এই ক্ষেত্রে আমের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। উন্নত মানের আমের জন্যই মালদহকে চিনেছে বিশ্ববাসী। বড় ধরনের কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের ফলন বিগত বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই ভালো হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। যার ফলে উন্নতমানের মালদহের আম বিদেশে রপ্তানি করতে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন ও আম ব্যবসায়ীরা। তবে এদিন সকালের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় কিছুটা হলেও আশঙ্কায় পড়েছেন আম চাষিরা ও উদ্যানপালন দপ্তরের কর্তারা।



