সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: হাওড়ায় রেল দুর্ঘটনার জেরে বিষ্ণুপুর স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে পুরুলিয়া-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। তবুও অপেক্ষায় ট্রেনের মধ্যেই যাত্রীরা বসেছিলেন। কিন্তু, প্রায় এক ঘণ্টা পর রেলের তরফে হঠাৎ তা বাতিল ঘোষণা করা হয়। আর এতেই মহা ফাঁপরে পড়েন যাত্রীরা। তাঁরা ক্ষোভে ফুঁসতে ফুঁসতে ট্রেন থেকে নামেন। ওই পরিস্থিতিতে বিকল্প যাত্রার কথা ভেবে অনেকেই দৌড় লাগান বাসস্ট্যান্ডের দিকে। তাঁদের অভিযোগ, এমনিতেই ট্রেনটি এক ঘণ্টা দেরিতে চলছিল। আবার বিষ্ণুপুর স্টেশনে এক ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকে। তারপর বাতিল করা হয়। আগে বাতিলের কথা ঘোষণা করা হলে তাঁরা গন্তব্যে পৌঁছতে বিকল্প যাত্রার কথা ভাবতে পারতেন।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের স্টেশন ম্যানেজার দীপককুমার পাল বলেন, পুরুলিয়া-হাওড়া সুপারফাস্ট ট্রেনটি এক ঘণ্টা দেরিতে সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ বিষ্ণুপুরে আসে। কিন্তু তারপর ট্রেনটি ছাড়ার বার্তা পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের সুবিধার্থে ওই বার্তা প্রায় প্রতি মিনিটে ঘোষণা করা হয়েছে। সাড়ে ৯টা নাগাদ ট্রেনটি বাতিল করা হয়। ওই ট্রেনটিকে পুনরায় পুরুলিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়। হাওড়ার নলপুরে দুর্ঘটনার কারণেই ওই সমস্যা হয়েছে।
পুরুলিয়ার বাসিন্দা শ্যামল গোস্বামী বলেন, আমি কলকাতা যাওয়ার জন্য পুরুলিয়া-সুপার ফাস্ট ট্রেনের রিজার্ভেশন কামরায় উঠেছিলাম। বাঁকুড়ায় আসার পর ট্রেনটি প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। বিষ্ণুপুরে আসার পর ফের এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যায়। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দু’ঘণ্টা দেরি হয়। তবুও অপেক্ষায় ট্রেনের মধ্যে বসেছিলাম। আমার মতো কয়েকশো যাত্রী একইভাবে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু, সাড়ে ৯টার পর হঠাৎ করে ট্রেনটি বিষ্ণুপুর থেকে আর যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়। কলকাতায় আমার জরুরি কাজ রয়েছে। যেতেই হতো। কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। অগত্যা বাস ছাড়া গতি নেই।
আদ্রার বাসিন্দা লক্ষ্মীকান্ত দাস বলেন, বিষ্ণুপুর স্টেশনে পৌঁছনোর পরেই যদি তা বাতিলের কথা জানতে পারতাম। তাহলে বাস ধরে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যেতে পারতাম। কিন্তু, অনেক দেরি হওয়ায় আমি নির্দিষ্ট সময়ে হাওড়া পৌঁছতে যাবে না। বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে বিকেলের আগে হাওড়াগামী আর কোনও ট্রেনও নেই। তাই বাসের ভরসায় যাচ্ছি। একইভাবে শয়ে শয়ে যাত্রী বিপাকে পড়েন।
পুরুলিয়ার বাসিন্দা শ্যামল গোস্বামী বলেন, আমি কলকাতা যাওয়ার জন্য পুরুলিয়া-সুপার ফাস্ট ট্রেনের রিজার্ভেশন কামরায় উঠেছিলাম। বাঁকুড়ায় আসার পর ট্রেনটি প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। বিষ্ণুপুরে আসার পর ফের এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যায়। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দু’ঘণ্টা দেরি হয়। তবুও অপেক্ষায় ট্রেনের মধ্যে বসেছিলাম। আমার মতো কয়েকশো যাত্রী একইভাবে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু, সাড়ে ৯টার পর হঠাৎ করে ট্রেনটি বিষ্ণুপুর থেকে আর যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়। কলকাতায় আমার জরুরি কাজ রয়েছে। যেতেই হতো। কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। অগত্যা বাস ছাড়া গতি নেই।
আদ্রার বাসিন্দা লক্ষ্মীকান্ত দাস বলেন, বিষ্ণুপুর স্টেশনে পৌঁছনোর পরেই যদি তা বাতিলের কথা জানতে পারতাম। তাহলে বাস ধরে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যেতে পারতাম। কিন্তু, অনেক দেরি হওয়ায় আমি নির্দিষ্ট সময়ে হাওড়া পৌঁছতে যাবে না। বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে বিকেলের আগে হাওড়াগামী আর কোনও ট্রেনও নেই। তাই বাসের ভরসায় যাচ্ছি। একইভাবে শয়ে শয়ে যাত্রী বিপাকে পড়েন।



