Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বঙ্গোপসাগরে শীঘ্রই শক্তিশালী নিম্নচাপ, বাংলায় প্রভাব না পড়ারই সম্ভাবনা

নভেম্বরের শেষদিকে বঙ্গোপসাগরে ফের একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড় বা শক্তিশালী নিম্নচাপ যাই হোক না কেন সেটার প্রাথমিক অভিমুখ যা হতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে সেটি অব্যাহত থাকলে পশ্চিমবঙ্গে এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না।

বঙ্গোপসাগরে শীঘ্রই শক্তিশালী নিম্নচাপ, বাংলায় প্রভাব না পড়ারই সম্ভাবনা
  • ২১ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নভেম্বরের শেষদিকে বঙ্গোপসাগরে ফের একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড় বা শক্তিশালী নিম্নচাপ যাই হোক না কেন সেটার প্রাথমিক অভিমুখ যা হতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে সেটি অব্যাহত থাকলে পশ্চিমবঙ্গে এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না। পশ্চিমবঙ্গ উপকূল থেকে অনেক দূরে দক্ষিণ ভারত উপকূলের দিকে প্রথমে এগোবে এটি। তবে এর পরোক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে শীত আরও কয়েকদিনের জন্য‌ থমকে থাকবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের পরোক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে। উত্তুরে হাওয়া সক্রিয়তা হারিয়েছে। অন্যদিকে পুবালি ও দখিনা বাতাস সক্রিয় হয়েছে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা কমবে না। বরং একটু বাড়তে পারে। 

Advertisement

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, আগামী ২২ নভেম্বর রবিবার নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে ২৪ নভেম্বর নাগাদ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মধ্য অংশে শক্তি বৃদ্ধি করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপরও পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর আরও  শক্তি বৃদ্ধি করবে গভীর নিম্নচাপটি। গভীর নিম্নচাপ শক্তি বৃদ্ধি করে প্রথমে অতিগভীর নিম্নচাপ ও তারপর ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়। ২৪ তারিখের পর গভীর নিম্নচাপটির গতি প্রকৃতি কী হবে সেটা বৃহস্পতিবার জানায়নি কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, এটির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আপাতত এর যে অভিমুখ হবে বলা হচ্ছে তাতে শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়টি প্রথমে তামিলনাড়ু বা অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে, এমন সম্ভাবনা বেশি বলে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন। তবে কোনও কোনও আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলে বলা হচ্ছে, ৩০ নভেম্বরের পর এটি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর থেকে অভিমুখ পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তর-পূর্ব অভিমুখে অগ্রসর হতে পারে। সেক্ষেত্রে এটি যেতে পারে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলের দিকে। 

সম্পর্কিত সংবাদ