নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্যালককে অপহরণ করে হোটেলে বন্দি করে রেখেছিল আগ্রার বাসিন্দা নকুল গোয়েল। সিদ্ধি খাইয়ে নাবালক শ্যালককে অজ্ঞান করে দিয়েছিল। গুণধর ওই জামাইয়ের কীর্তিতে হতবাক বহরমপুরের বদরপুর সারদাপল্লির বাসিন্দারা। দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়া ওই নাবালককে বহরমপুরের হোটেলের ঘরে বন্দি করে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন করেছিল শ্বশুরবাড়িতে। স্বামীই যে ভাইকে অপহরণ করবে তা প্রথমে বিশ্বাসই করতে চাননি নকুলের স্ত্রী। নকুল শ্যালকের অচেতন অবস্থার ভিডিও পাঠিয়ে স্ত্রীর সেই সন্দেহ দূর করে। তারপর সে সোনা ও টাকা দাবি করে শ্বশুরবাড়ি থেকে। বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ঘটনা নিয়ে এদিনও মুখরোচক চর্চা চলছে শহরজুড়ে।
Advertisement
পুলিস নকুলকে গ্রেপ্তার করে অপহরণের মামলা রুজু করে জেলে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত নকুল গোয়েল পুলিসি জেরায় স্বীকার করেছে যে, শ্যালককে অপহরণ করে সে সিদ্ধি খাইয়ে দিয়েছিল। তারপর সে ভিডিও করে স্ত্রীর মোবাইলে পাঠিয়েছে। আরও বেশকিছু তথ্য অভিযুক্ত যুবক পুলিসকে জানিয়েছে। বহরমপুর থানার পুলিস সেই তথ্য খতিয়ে দেখছে।
জানা গিয়েছে, ন’ মাস আগে আগ্রার বাসিন্দা নকুলের বিয়ে হয় বহরমপুরের বদরপুরের এক যুবতীর সঙ্গে। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়। স্ত্রীর সঙ্গে অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক আছে বলে পুলিসকে জানিয়েছে নকুল। স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকদের শিক্ষা দিতেই সে এই অপহরণ করেছিল বলেই দাবি ধৃতের।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, অভিযুক্ত যুবক আমাদের বলেছে, তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কারও সম্পর্ক রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে সে। এসব সহ্য করতে না পেরেই সে শ্যালককে অপহরণ করে শিক্ষা দিতে চেয়েছিল। আমরা অভিযুক্তের দাবি খতিয়ে দেখছি। তার স্ত্রীকেও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। অপহৃত কিশোরকে সিদ্ধি খাইয়ে দেওয়ায় তার কিছুটা শারীরিক সমস্যা হয়েছিল। এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই জামাই মোটেও সুবিধার লোক নয়। বিয়ের পর বউকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই থাকত বেশি। এখানে নাকি কাপড়ের ব্যবসা করত বলে শুনেছি। নকুলের শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেন, ধরা পড়ে মিথ্যে অভিযোগ তুলছে নকুল। ওর কড়া শাস্তি চাই আমরা।
জানা গিয়েছে, ন’ মাস আগে আগ্রার বাসিন্দা নকুলের বিয়ে হয় বহরমপুরের বদরপুরের এক যুবতীর সঙ্গে। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়। স্ত্রীর সঙ্গে অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক আছে বলে পুলিসকে জানিয়েছে নকুল। স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকদের শিক্ষা দিতেই সে এই অপহরণ করেছিল বলেই দাবি ধৃতের।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, অভিযুক্ত যুবক আমাদের বলেছে, তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কারও সম্পর্ক রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে সে। এসব সহ্য করতে না পেরেই সে শ্যালককে অপহরণ করে শিক্ষা দিতে চেয়েছিল। আমরা অভিযুক্তের দাবি খতিয়ে দেখছি। তার স্ত্রীকেও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। অপহৃত কিশোরকে সিদ্ধি খাইয়ে দেওয়ায় তার কিছুটা শারীরিক সমস্যা হয়েছিল। এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই জামাই মোটেও সুবিধার লোক নয়। বিয়ের পর বউকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই থাকত বেশি। এখানে নাকি কাপড়ের ব্যবসা করত বলে শুনেছি। নকুলের শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেন, ধরা পড়ে মিথ্যে অভিযোগ তুলছে নকুল। ওর কড়া শাস্তি চাই আমরা।



