সংবাদদাতা, বর্ধমান: স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে মুরগি কাটা চপার দিয়ে কোপানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতের নাম রাজকুমার রায়। তার বাড়ি মেমারি থানার আমাদপুরের কাঁসারিপাড়ায়। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের মুরগির দোকান রয়েছে। চপারটি দোকানেই সে লুকিয়ে রেখেছে বলে পুলিসকে জানায়।
Advertisement
এরপর তাকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে দোকান থেকে চপারটি উদ্ধার করে সেটি বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। ধৃতকে এদিনই বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিস জানিয়েছে, রাজকুমারের স্ত্রী পিয়ালি রায় বর্তমানে তাঁর বাপেরবাড়ি মেমারি থানার দেঁহা গ্রামে থাকেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ সেখানে রাজকুমার ও পিয়ালির কাকা রবীন্দ্রনাথ দাস যায়। পিয়ালিকে তাঁর স্বামী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। প্রতিবাদ করায় তাঁকে সে মারধর শুরু করে। আচমকা কাছে থাকা চপার দিয়ে পিয়ালির কোমরে সে কোপায়। মেয়েকে আক্রান্ত হতে দেখেন বাঁচাতে আসেন জয়ন্তী দাস ও ভুবন দাস। তাঁদেরও চপার দিয়ে কোপায় রাজকুমার। চপারের কোপে তিনজনই গুরুতর জখম হন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে জয়ন্তী ও ভুবনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পিয়ালি রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ১: আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি সহ বিহারের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতের নাম রঞ্জিৎ কুমার শ্রীবাস্তব। তার বাড়ি বিহারের ভোজপুর জেলার চান্দোয়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান শহরের তেজগঞ্জ এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে একটি রাইসমিলের কাছে নির্জন জায়গায় সন্দেহজনকভাবে সে ঘোরাঘুরি করছিল। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। ধৃতকে বুধবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন সিজেএম।
পুলিস জানিয়েছে, রাজকুমারের স্ত্রী পিয়ালি রায় বর্তমানে তাঁর বাপেরবাড়ি মেমারি থানার দেঁহা গ্রামে থাকেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ সেখানে রাজকুমার ও পিয়ালির কাকা রবীন্দ্রনাথ দাস যায়। পিয়ালিকে তাঁর স্বামী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। প্রতিবাদ করায় তাঁকে সে মারধর শুরু করে। আচমকা কাছে থাকা চপার দিয়ে পিয়ালির কোমরে সে কোপায়। মেয়েকে আক্রান্ত হতে দেখেন বাঁচাতে আসেন জয়ন্তী দাস ও ভুবন দাস। তাঁদেরও চপার দিয়ে কোপায় রাজকুমার। চপারের কোপে তিনজনই গুরুতর জখম হন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে জয়ন্তী ও ভুবনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পিয়ালি রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ১: আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি সহ বিহারের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতের নাম রঞ্জিৎ কুমার শ্রীবাস্তব। তার বাড়ি বিহারের ভোজপুর জেলার চান্দোয়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান শহরের তেজগঞ্জ এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে একটি রাইসমিলের কাছে নির্জন জায়গায় সন্দেহজনকভাবে সে ঘোরাঘুরি করছিল। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। ধৃতকে বুধবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন সিজেএম।



