সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: হাসপাতাল নাকি গোরু চরার জায়গা-তা দেখে বোঝার উপায় নেই। সূতির হিলোরা গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে যেখানে সেখানে গবাদি পশু ঘুরে বেড়াচ্ছে। একসময় যে হাসপাতালে রোগীদের ভিড় লেগে থাকত, এখন সেখানে নামমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা মেলে। কোনও চিকিৎসক এখানে থাকেন না। এখানকার কিছু সরঞ্জাম পাশের হাসপাতালে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চুরি হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী ফের হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করার দাবি তুলেছেন। সম্প্রতি স্বাস্থ্যকর্তারা হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। তাঁরা সেটি ফের চালুর আশ্বাস দিয়েছেন।
Advertisement
সূতি-১এর বিএমওএইচ অমিত মালাকার বলেন, এখন হাসপাতালে ওপিডি পরিষেবা চালু রয়েছে। চারজন স্টাফ রয়েছেন। তাঁরা নিয়মিত ডিউটি করেন। ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা চালু করতে একটু সময় লাগবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।
সূতির হিলোরা গ্রামীণ হাসপাতালে একসময় ভালোই চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। ১৮টি শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীরা ছিলেন। বহুতালি, নন্দীগ্রাম, কলহপুর, বংশবাটি, নাজিরপুর সহ আশপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে আসতেন। কয়েকবছর আগে সূতির আহিরণে ব্লক হাসপাতাল গড়ে ওঠে। তারপর হিলোরা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আহিরণ ব্লক হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক ও নার্সদের একে একে সেখানে বদলি করে দেওয়া হয়। ফলে আহিরণ ব্লক হাসপাতাল এখন রমরমিয়ে চললেও হিলোরা হাসপাতালটি ধুঁকছে। চিকিৎসা পরিষেবা না মেলায় রোগীরাও সেখানে যান না। হাসপাতালের পাম্প, টিউবওয়েল, চেয়ার-টেবিল, এমনকী, দরজা-জানালাও চুরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতাল চত্বর এখন গোরু, মোষ ও ছাগলের বিচরণভূমিতে পরিণত হয়েছে।
এই হাসপাতালে একজন ফার্মাসিস্ট ডিউটি করেন। তিনি জ্বর, সর্দি সহ ছোটখাট অসুখের ওষুধ দেন। যদিও স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দাবি, এখানে একজন চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট ও মেল অ্যাসিস্ট্যান্ট রয়েছেন। যদিও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফার্মাসিস্ট ছাড়া আর কারও সেভাবে দেখা মেলে না।
স্থানীয় প্রবীণ কিশোরকান্তি দাস বলেন, এই হাসপাতালেই আমার জন্ম হয়েছে। একসময় ভালো চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। কিন্তু এখন অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালটি প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। রাতবিরেতে জরুরি চিকিৎসার জন্য আহিরণে বা কয়েক কিমি দূরে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে যেতে হয়।
বংশবাটি পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত সরকার বলেন, হাসপাতালটি ফের চালু করার জন্য আমরা স্বাস্থ্যদপ্তর ও জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। সম্প্রতি তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। ফের ভালো পরিষেবা চালুর আশ্বাস দিয়েছেন।
সূতির হিলোরা গ্রামীণ হাসপাতালে একসময় ভালোই চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। ১৮টি শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীরা ছিলেন। বহুতালি, নন্দীগ্রাম, কলহপুর, বংশবাটি, নাজিরপুর সহ আশপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে আসতেন। কয়েকবছর আগে সূতির আহিরণে ব্লক হাসপাতাল গড়ে ওঠে। তারপর হিলোরা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আহিরণ ব্লক হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক ও নার্সদের একে একে সেখানে বদলি করে দেওয়া হয়। ফলে আহিরণ ব্লক হাসপাতাল এখন রমরমিয়ে চললেও হিলোরা হাসপাতালটি ধুঁকছে। চিকিৎসা পরিষেবা না মেলায় রোগীরাও সেখানে যান না। হাসপাতালের পাম্প, টিউবওয়েল, চেয়ার-টেবিল, এমনকী, দরজা-জানালাও চুরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতাল চত্বর এখন গোরু, মোষ ও ছাগলের বিচরণভূমিতে পরিণত হয়েছে।
এই হাসপাতালে একজন ফার্মাসিস্ট ডিউটি করেন। তিনি জ্বর, সর্দি সহ ছোটখাট অসুখের ওষুধ দেন। যদিও স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দাবি, এখানে একজন চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট ও মেল অ্যাসিস্ট্যান্ট রয়েছেন। যদিও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফার্মাসিস্ট ছাড়া আর কারও সেভাবে দেখা মেলে না।
স্থানীয় প্রবীণ কিশোরকান্তি দাস বলেন, এই হাসপাতালেই আমার জন্ম হয়েছে। একসময় ভালো চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। কিন্তু এখন অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালটি প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। রাতবিরেতে জরুরি চিকিৎসার জন্য আহিরণে বা কয়েক কিমি দূরে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে যেতে হয়।
বংশবাটি পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত সরকার বলেন, হাসপাতালটি ফের চালু করার জন্য আমরা স্বাস্থ্যদপ্তর ও জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। সম্প্রতি তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। ফের ভালো পরিষেবা চালুর আশ্বাস দিয়েছেন।



