সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: স্ত্রীর জন্য জীবন ত্যাগ। ফেসবুক লাইভের পর যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় রায় (২৮)। আট বছর আগে সমিতা রায়ের সঙ্গে তাঁর প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। দীর্ঘদিন সংসারও করেছিল। তবে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি হওয়ায় দুর্গাপুজোর সময় সঞ্জয়কে ছেড়ে তাঁর স্ত্রী বাপেরবাড়ি চলে যায়। এর পর থেকে তাঁদের মধ্যে কোনও যোগাযোগ নেই।
Advertisement
রবিবার রাতে ভাত খাওয়ার পর ৮টার সময় আচমকা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি লাইভ ভিডিও পোস্ট করেন সঞ্জয়। যেখানে স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা, মান- অভিমান ব্যক্ত করেন।
পাশাপাশি সঞ্জয় যে এই পৃথিবী ছেড়ে চিরকালের মতো বিদায় নেবেন সেকথাও লাইভে বলেন। এরপর রাতে বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে সঞ্জয়কে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁর পরিবারের লোকজন। খবর দেওয়া হয় পুলিসে। ঘটনাস্থলে এসে ঝুলন্ত অবস্থায় সঞ্জয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিস।
ওসি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সঞ্জয়ের আত্মীয় থেকে পাড়া প্রতিবেশিরা জানিয়েছেন, স্ত্রীর প্রতি অভিমানের জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছেন সঞ্জয়। সঞ্জয়ের মা ছেলের মৃত্যুর জন্য তাঁর পুত্রবধূকেই দায়ী করছেন।
অন্যদিকে স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান সঞ্জয়ের স্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এমন ঘটনা ঘটবে তা আমি জানতাম না। তবে পরিবারে মারধর করা হতো বলেই বাপেরবাড়ি চলে গিয়েছিলাম।
পাশাপাশি সঞ্জয় যে এই পৃথিবী ছেড়ে চিরকালের মতো বিদায় নেবেন সেকথাও লাইভে বলেন। এরপর রাতে বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে সঞ্জয়কে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁর পরিবারের লোকজন। খবর দেওয়া হয় পুলিসে। ঘটনাস্থলে এসে ঝুলন্ত অবস্থায় সঞ্জয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিস।
ওসি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সঞ্জয়ের আত্মীয় থেকে পাড়া প্রতিবেশিরা জানিয়েছেন, স্ত্রীর প্রতি অভিমানের জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছেন সঞ্জয়। সঞ্জয়ের মা ছেলের মৃত্যুর জন্য তাঁর পুত্রবধূকেই দায়ী করছেন।
অন্যদিকে স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান সঞ্জয়ের স্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এমন ঘটনা ঘটবে তা আমি জানতাম না। তবে পরিবারে মারধর করা হতো বলেই বাপেরবাড়ি চলে গিয়েছিলাম।



