নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: জলকষ্টের মাঝেই শহর সিউড়ি জুড়ে পানীয়জলের অপচয় চলছে। শুধুমাত্র স্টপককের অভাবে পরিস্রুত পানীয় জল নালায় গিয়ে মিশছে। ঘটনায় শহরের একাংশ বাসিন্দা পুরসভার ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগ, পুরসভা লাগোয়া একাধিক এলাকাতেই প্রতিদিনই পানীয় জল অপচয়ের দৃশ্য নজরে পড়ে। এছাড়াও স্টপককের অভাবে শহরজুড়ে জল অপচয়ের ঘটনা অনেক রয়েছে। জলের অপচয় রুখতে পুরসভারসদিচ্ছা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। স্থানীয়দের দাবি, শীতঘুম কাটিয়ে পুরসভার এবার জনসেবায় মন দেওয়া উচিত। রা নাহলে পানীয় জলের অপচয় রোধ করা সম্ভব নয়। যদিও পুরসভা স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার কথাই বলছে।
Advertisement
জলকষ্ট মেটাতে বিভিন্ন পুর এলাকায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের পাইপলাইন পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। বীরভূম জেলার সিউড়িতেও আম্রুত-২.০ প্রকল্পে সেই কাজ অনেকটাই গতি পেয়েছে। এদিকে শহরের বেশকিছু এলাকায় বহু বছর আগেই পিএইচই-র সহযোগিতায় পুরসভার তরফে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের পাইপলাইন পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তবে অধিকাংশ বাড়িতেই সেই সুবিধা নেই। তাই পাড়ার মোড় কিংবা রাস্তার ধারে থাকা ট্যাপকলই তাঁদের একমাত্র ভরসা। অভিযোগ, বহু ট্যাপকল দীর্ঘ সময় ধরে জলশূন্য হয়ে রয়েছে। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে একাধিক ট্যাপকলের স্টপকক উধাও হয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার স্ট্যান্ড পোস্টও ভেঙে পড়েছে। এতে প্রতিদিনই জলের অপচয় হচ্ছে। পরিস্রুত পানীয় জল সরাসরি নালায় মিশছে। ঘটনায় শহরবাসীদের একাংশ পুরসভার ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অভিযোগ, পুরসভার উদাসীনতার জেরেই এই ঘটনা ঘটে চলেছে।
পুরসভা এলাকার বহু বাসিন্দা জলকষ্টের মুখাপেক্ষী হয়ে খোলা বাজার থেকে পানীয় জল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে আবার কুয়ো কিংবা চাপাকলের জল পরিস্রুত করে ব্যবহার করছেন। তাঁদের একাংশও জল অপচয়ের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শহর সিউড়ির নিবেদিতা পল্লি, ডাঙালপাড়া, পুরাতন লাইন, পুরনো বাসস্ট্যান্ড, সুভাষপল্লি সহ একাধিক এলাকায় পানীয় জল অপচয়ের দৃশ্য নজরে আসে। স্থানীয় গদাধর নন্দী বলেন, নিবেদিতা পল্লিতে ট্যাপকলের স্টপকক চুরি হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকে ওই ট্যাপকল থেকে অঝোরে জল পড়ে নষ্ট হচ্ছে। দেখার কেউ নেই। পুরসভা লাগোয়া ষষ্ঠীতলা মোড়ের ব্যবসায়ী রবীন ভাণ্ডারির দোকানের সামনেও নিয়মিত জলের অপচয় হচ্ছে। বিষয়টি তাঁর নজর এড়ায়নি। তিনি বলেন, একাধিক সময় স্টপকক কিনে লাগিয়েছিলাম। কিন্তু কখনও ভেঙে যায়, আবার কখনও চুরি হয়ে যায়। পুরসভার সামনে হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
পানীয় জলের অপচয় ইস্যুতে সাধারণের ক্ষোভ যখন সপ্তমে, ঠিক সেসময় পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বাসিন্দাদেরই কার্যত কাঠগড়ায় তুললেন। তিনি বলেন, পানীয় জলের অপচয় রুখতে একাধিক সময় স্টপকক লাগানো হয়। কিন্তু তারপরও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পানীয় জল অপচয় রুখতে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। পুরসভার তরফেও নিয়মিত নজরদারি চলছে।
পুরসভা এলাকার বহু বাসিন্দা জলকষ্টের মুখাপেক্ষী হয়ে খোলা বাজার থেকে পানীয় জল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে আবার কুয়ো কিংবা চাপাকলের জল পরিস্রুত করে ব্যবহার করছেন। তাঁদের একাংশও জল অপচয়ের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শহর সিউড়ির নিবেদিতা পল্লি, ডাঙালপাড়া, পুরাতন লাইন, পুরনো বাসস্ট্যান্ড, সুভাষপল্লি সহ একাধিক এলাকায় পানীয় জল অপচয়ের দৃশ্য নজরে আসে। স্থানীয় গদাধর নন্দী বলেন, নিবেদিতা পল্লিতে ট্যাপকলের স্টপকক চুরি হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকে ওই ট্যাপকল থেকে অঝোরে জল পড়ে নষ্ট হচ্ছে। দেখার কেউ নেই। পুরসভা লাগোয়া ষষ্ঠীতলা মোড়ের ব্যবসায়ী রবীন ভাণ্ডারির দোকানের সামনেও নিয়মিত জলের অপচয় হচ্ছে। বিষয়টি তাঁর নজর এড়ায়নি। তিনি বলেন, একাধিক সময় স্টপকক কিনে লাগিয়েছিলাম। কিন্তু কখনও ভেঙে যায়, আবার কখনও চুরি হয়ে যায়। পুরসভার সামনে হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
পানীয় জলের অপচয় ইস্যুতে সাধারণের ক্ষোভ যখন সপ্তমে, ঠিক সেসময় পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বাসিন্দাদেরই কার্যত কাঠগড়ায় তুললেন। তিনি বলেন, পানীয় জলের অপচয় রুখতে একাধিক সময় স্টপকক লাগানো হয়। কিন্তু তারপরও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পানীয় জল অপচয় রুখতে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। পুরসভার তরফেও নিয়মিত নজরদারি চলছে।



