পারথ: গত ১৪ বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাসেজ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। তবে এবার সেই খরা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে বেন স্টোকস বাহিনীর। শুক্রবার শুরু হওয়া প্রথম টেস্টে চোটের কারণে প্যাট কামিন্স ও হ্যাজলউড না থাকায় অস্ট্রেলিয়ার বোলিং কিছুটা হলেও দুর্বল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পারথে জয় দিয়ে অ্যাসেজ অভিযান শুরু করতে চান রুট-ব্রুকরা। তবে সেই আশায় জল ঢালতে পারেন পারেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ স্টিভ স্মিথ ও মার্নাস লাবুশানে। তাই পারথে নামার আগে এই দু’জনকে নিয়ে সতর্ক ইংল্যান্ডের অধিনায়ক স্টোকস। তাঁর কথায়, ‘স্মিথের কোয়ালিটি সবারই জানা। আমার মতে, এই প্রজন্মে টেস্টের সেরা ব্যাটার জো রুট ও স্মিথ। আর অ্যাসেজে স্মিথ ধারাবাহিকভাবে রান করে। তাই ওকে যদি শান্ত রাখতে পারি, কাজটা অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি মার্নাস লাবুশানেকে নিয়েও সাবধানী আমরা।’
অ্যাসেজে মাঠে নামতে মুখিয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথও। তাঁর কথায়, ‘অ্যাসেজ মানেই মর্যাদার লড়াই। তাই কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। শুনলাম, প্রথম তিন দিনের টিকিট ইতিমধ্যেই সোল্ড আউট। লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।’ স্মিথ প্রথম একাদশ আগেই জানিয়ে দিয়েছেন। উসমান খাওয়াজার সঙ্গে ওপেন করতে নামবেন জেক ওয়েদারল্ড। তিনে লাবুশানে। চারে স্মিথ। বোলিংয়ে প্যাট কামিন্সের পরিবর্তে খেলবেন স্কট বোলান্ড। আর হ্যাজলউডের অনুপস্থিতিতে শিকে ছিড়েছে ব্রেন্ডন ডগেট। স্মিথের কথায়, ‘কামিন্স ও হ্যাজেলউডের না থাকাটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে চোট-আঘাত খেলারই অঙ্গ। আশা করব, পরিবর্তে যারা খেলছে তারা সুযোগটা কাজে লাগাতে চাইবে।’ এদিকে, অ্যাসেজের প্রথম ম্যাচ পারথে হওয়ায় ক্ষুব্ধ মিচেল স্টার্ক। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে একহাত নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘আমরা চেয়েছিলাম ব্রিসবেনে অ্যাসেজ শুরু হোক। কিন্তু বোর্ড আমাদের কথা শুনতে চায় না।’