নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সিতাই বিধানসভা উপ নির্বাচনের ফল নিয়ে আগাম হতাশার সুর বিজেপি নেতৃত্বের গলায়। ভোট গণনার আগেই কোচবিহার জেলার এই কেন্দ্র নিয়ে পুরোপুরি হাল ছাড়ল গেরুয়া শিবির। তিনশোটি বুথের মধ্যে মাত্র ৬০টিতে দলের পোলিং এজেন্ট ছিল বলেও স্বীকার করে নিল বিজেপি নেতৃত্ব।
Advertisement
সিতাইয়ে দলের প্রচার ও ভোট পরিচালনার অন্যতম দায়িত্বে ছিলেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়। শনিবার তিনি বলেন, সিতাই নিয়ে আশা করার মতো কিছু নেই। তিনশোটি বুথের মধ্যে আমরা দেড়শোটি বুথে পোলিং এজেন্ট দিতে পেরেছিলাম। কিন্তু ভোট শুরু হতেই আমাদের পোলিং এজেন্টদের ভয় দেখিয়ে, জোর করে বের করে দেওয়া হয়। ভোট শেষে দেখা যায়, মাত্র ৬০টি বুথে বিজেপির পোলিং এজেন্ট রয়েছে।
ভোটের দিন সিতাইয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পুরোপুরি রাজ্য পুলিস পরিচালনা করেছে বলে তোপ সাংসদের। কমিশনে তিনি একাধিক অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর। যদিও জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ বলেন, যদি ঠিকমতো ভোট হতো, তাহলে সিতাইয়ের ছবিটা অন্যরকম হতো।
এদিকে, সিতাই নিয়ে হতাশা ঝরে পড়লেও মাদারিহাট নিয়ে আশায় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন জলপাইগুড়িতে সাংগঠনিক বৈঠক শেষে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক তথা দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, মাদারিহাটে আমরা জিতব। যদিও পরিযায়ী শ্রমিকদের একটা বড় অংশ ভোট দিতে না আসা ফ্যাক্টর হতে পারে বলে মানছেন তিনি।
ভোটের দিন সিতাইয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পুরোপুরি রাজ্য পুলিস পরিচালনা করেছে বলে তোপ সাংসদের। কমিশনে তিনি একাধিক অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর। যদিও জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ বলেন, যদি ঠিকমতো ভোট হতো, তাহলে সিতাইয়ের ছবিটা অন্যরকম হতো।
এদিকে, সিতাই নিয়ে হতাশা ঝরে পড়লেও মাদারিহাট নিয়ে আশায় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন জলপাইগুড়িতে সাংগঠনিক বৈঠক শেষে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক তথা দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, মাদারিহাটে আমরা জিতব। যদিও পরিযায়ী শ্রমিকদের একটা বড় অংশ ভোট দিতে না আসা ফ্যাক্টর হতে পারে বলে মানছেন তিনি।



