নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: সিতাইয়ের উপ নির্বাচনের পর বিজেপির সংগঠনের ছন্নছাড়া রূপটা একেবারে সামনে চলে এসেছে। ৩০০ বুথের মধ্যে হাতেগোনা কিছু বুথে তারা নির্বাচনী এজেন্ট দিতে পেরেছে। বাকি জায়গা তারা খালি ছেড়ে দিয়েছে। প্রথম থেকে জমজমাট প্রচারও করতে পারেনি। নেতাদের তেমন গা ঝাড়া দিয়ে লড়াইয়ের ময়দানেও নামতে দেখা যায়নি। সিতাইতে শেষ পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭১.৩০ শতাংশ। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে বলে দাবি জেলা নেতৃত্বের। আর এই জয় ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলে দলের দাবি।
Advertisement
জেলায় ন’টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সব ক’টি আসনেই জয়লাভের জন্য শাসক দল এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাচ্ছে। ফলে সিতাই উপ নির্বাচনে জিতলে দল এখানে বাড়তি অক্সিজেন পাবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। সিতাইতে বিজেপির সংগঠনের কী হাল তার একটি উদাহরণ তৃণমূল নেতারা নির্বাচনের পর থেকেই দিতে শুরু করেছেন। সিতাই বিধানসভার মধ্যে রয়েছে ভেটাগুড়ি-২ অঞ্চল। এই ভেটাগুড়িকেই একদা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গড় বলা হতো। তিনি এবারের লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। ওই এলাকায় ১৫টির বুথের মধ্যে মাত্র দু’টি বুথে বিজেপি এজেন্ট দিতে পেরেছে। প্রাক্তন মন্ত্রীর গড়েই যদি বিজেপির এই হাল হয় তাহলে বাকি জায়গায় সংগঠনের কী বেহাল অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, সিতাইয়ের ফল ঘোষণার পর ২০২৬-এ বিজেপি বুথে বুথে এজেন্ট খুঁজে পাবে না। যাঁরা আদর্শগত ভাবে বিজেপি করতেন তাঁরা হতাশ। বহু বিজেপি নেতা, কর্মী আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। ২৬-এর নির্বাচনের আগে আরও বহু মানুষ যোগ দেবে। আমরা উপ নির্বাচনে সিতাইয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হব।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বুধবার সন্ধ্যায় সিতাইয়ের নির্বাচন শেষে দিনহাটায় বসে সাংবাদিকদের বলেন, বিজেপি ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫টি বুথের মধ্যে মাত্র দু’টি বুথে এজেন্ট দিতে পেরেছে। বাকি ১৩টিতে দিতে পারেনি। বলতেও পারেনি যে সেখানে ভয় দেখানো হয়েছে। ওই সব জায়গায় তারা বুথে লোকই খুঁজে পায়নি।
বিজেপির জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, ২০২১ এর বিধানসভা ও ২০২৪ এর লোকসভার পর সিতাইতে অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পান। অনেকে বাইরে চলে গিয়েছেন। তারপরেও কর্মীরা বেরিয়েছেন, তাঁদেরকে ধন্যবাদ। নেতাদের ভূমিকা অবশ্যই ছিল। ভেটাগুড়িতে চারটি বুথে আমাদের এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দু’জন ছিলেন। ২০২৬-এর বিধানসভায় এসবের কোনও প্রভাব পড়বে না। সাধারণ কর্মীরা জীবন দিয়ে লড়াই করবেন, এটা তাঁদেরই কথা।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, সিতাইয়ের ফল ঘোষণার পর ২০২৬-এ বিজেপি বুথে বুথে এজেন্ট খুঁজে পাবে না। যাঁরা আদর্শগত ভাবে বিজেপি করতেন তাঁরা হতাশ। বহু বিজেপি নেতা, কর্মী আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। ২৬-এর নির্বাচনের আগে আরও বহু মানুষ যোগ দেবে। আমরা উপ নির্বাচনে সিতাইয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হব।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বুধবার সন্ধ্যায় সিতাইয়ের নির্বাচন শেষে দিনহাটায় বসে সাংবাদিকদের বলেন, বিজেপি ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫টি বুথের মধ্যে মাত্র দু’টি বুথে এজেন্ট দিতে পেরেছে। বাকি ১৩টিতে দিতে পারেনি। বলতেও পারেনি যে সেখানে ভয় দেখানো হয়েছে। ওই সব জায়গায় তারা বুথে লোকই খুঁজে পায়নি।
বিজেপির জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, ২০২১ এর বিধানসভা ও ২০২৪ এর লোকসভার পর সিতাইতে অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পান। অনেকে বাইরে চলে গিয়েছেন। তারপরেও কর্মীরা বেরিয়েছেন, তাঁদেরকে ধন্যবাদ। নেতাদের ভূমিকা অবশ্যই ছিল। ভেটাগুড়িতে চারটি বুথে আমাদের এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দু’জন ছিলেন। ২০২৬-এর বিধানসভায় এসবের কোনও প্রভাব পড়বে না। সাধারণ কর্মীরা জীবন দিয়ে লড়াই করবেন, এটা তাঁদেরই কথা।



