ওয়াশিংটন, ৭ নভেম্বর: মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির জেরে কোণঠাসা ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়েছে রিপাবলিকানদের। বর্তমানে দেশের আইনসভা ডেমোক্র্যাটদের দখলে। এই পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ বদল করলেন ট্রাম্প। গুরুত্বপূর্ণ এই পদে এমন একজনকে আনলেন যিনি কট্টর অভিবাসন বিরোধী হিসেবে পরিচিত। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি তৈরি ক্ষেত্রে গুরুত্ব ভূমিকাও নিয়েছেন। আগামীদিনে আরো রদবদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এতদিন হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ-এর দায়িত্ব সামলেছেন সুজি ওয়াইলস। এবার তাঁর ডেপুটি স্টিফেন মিলারকে চিফ অব স্টাফ পদে বসালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আগামী সোমবার, ৯ নভেম্বর থেকে চিফ অব স্টাফ হিসাবে কাজ শুরু করবেন স্টিফেন মিলার। অন্যদিকে, ট্রাম্পের পলিটিক্যাল অপারেশনের দায়িত্ব সামলাবেন সুজি।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে পাত্তা না দিয়ে ইরানে হামলা, বিতর্কিত অভিবাসন নীতি, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টার মতো একতরফা সিদ্ধান্তই ট্রাম্পকে ডুবিয়েছে। কিন্তু নিজের চিফ অব স্টাফ পদে এমন একজনকে বসালেন যিনি কট্টর অভিবাসন বিরোধী হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম কট্টর সমর্থক। যা থেকে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ভোটে ধাক্কা সত্ত্বেও আগামীদিনে ট্রাম্পের নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।



