সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ফের আন্দোলনে নামল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কন্ট্রাকচুয়াল ওয়াকার্স ওয়েলফেয়ার ফোরাম। চার দফা দাবিতে শুক্রবার থেকে সুপার অফিসের সামনে সাতদিনের প্রতীকী অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। এরা সকলেই ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী।
Advertisement
তাঁদের অভিযোগ, তারা পেস্লিপ পাচ্ছেন না। পরিচয়পত্র নেই। এর পাশাপাশি প্রত্যেককে ডিউটি দেওয়ার ক্ষেত্রে রোটেশন পদ্ধতি মানা হচ্ছে না। সংগঠনের তরফে প্রতিমা চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা কাজ করলেও পে স্লিপ, পরিচয়পত্র পাই না। নেই চুক্তিমতো অন্যান্য অনেক সুযোগ-সুবিধা। সেই সঙ্গে আমাদের দাবি প্রত্যেককে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজের সুযোগ দিতে হবে।
লেবাররুমে দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মী কাজ করে যাওয়া নিয়েই তাদের আপত্তি। তাদেরকে সরিয়ে পর্যায়ক্রমে অন্য কর্মীদেরও লেবাররুমে কাজের সুযোগের দাবি নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন উঠেছে, শুধু লেবাররুমে কেন ডিউটি করা নিয়ে এত আন্দোলন কেন? প্রতিমা বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছি। লেবাররুমে চূড়ান্ত দুর্নীতি চলছে। বছরের পর বছর ধরে কয়েকজন কর্মী কাজ করে যাচ্ছেন। তারা সেখানে নানা অনৈতিক কার্যকলাপ করছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, লেবাররুমে কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন যারা রয়েছে তারা প্রশিক্ষিত হয়েছেন। ফলে নতুন করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সবাইকে ডিউটি করতে দিলে তাদের নতুন করে কাজ শেখার সুযোগ ও সময় দিতে হবে। যেটা এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এ ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার। হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, আমরা বিষয়টি আলোচনা করে দেখছি।
লেবাররুমে দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মী কাজ করে যাওয়া নিয়েই তাদের আপত্তি। তাদেরকে সরিয়ে পর্যায়ক্রমে অন্য কর্মীদেরও লেবাররুমে কাজের সুযোগের দাবি নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন উঠেছে, শুধু লেবাররুমে কেন ডিউটি করা নিয়ে এত আন্দোলন কেন? প্রতিমা বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছি। লেবাররুমে চূড়ান্ত দুর্নীতি চলছে। বছরের পর বছর ধরে কয়েকজন কর্মী কাজ করে যাচ্ছেন। তারা সেখানে নানা অনৈতিক কার্যকলাপ করছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, লেবাররুমে কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন যারা রয়েছে তারা প্রশিক্ষিত হয়েছেন। ফলে নতুন করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সবাইকে ডিউটি করতে দিলে তাদের নতুন করে কাজ শেখার সুযোগ ও সময় দিতে হবে। যেটা এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এ ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার। হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, আমরা বিষয়টি আলোচনা করে দেখছি।



