Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সাতদিনের মধ্যে বকেয়া মেটালে ২ শতাংশ ছাড় মিলবে জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে

সাতদিনের মধ্যে বকেয়া মেটালে ২ শতাংশ ছাড় মিলবে জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে
  • ২ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বিক্রেতাকে গোডাউনে বেশিদিন চা মজুত করে রাখতে হবে না। ১১ দিনের মধ্যেই নিলাম হয়ে যাবে। অন্যদিকে, অকশনের সাতদিনের মধ্যে পেমেন্ট মেটালে চায়ের দামে ২ শতাংশ ছাড় পাবেন ক্রেতা। ১১ বছর পর খুলতে চলা জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্র চালাতে এমনই সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এতে চায়ের ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই এই অকশন সেন্টারের প্রতি আকর্ষণ বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শনিবার নর্থবেঙ্গল টি অকশন কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান পুরজিৎ বক্সি গুপ্ত বলেন, কিছু বাড়তি সুবিধা না পেলে ব্যবসায়ীরা কেন জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে আসবেন? সেকারণে টি বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে ঠিক হয়েছে, এখানে অকশনের জন্য চা যাতে বেশিদিন ফেলে রাখতে না হয়, সেটা দেখা হবে। কোনও চা নিলামের জন্য নির্দিষ্ট হওয়ার পর ১১ দিনের মধ্যে তা অকশন হয়ে যাবে। আরও একটি বিষয় ঠিক হয়েছে, নিলামের সাতদিনের মধ্যে যদি পেমেন্ট হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ক্রেতা চায়ের দামের উপর ২ শতাংশ ছাড় পাবেন। ওই ছাড় পেতে ক্রেতারা দ্রুত পেমেন্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে টাকা পেতে বিক্রেতাকেও বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।
Advertisement
উত্তরবঙ্গে মোট যে চা উৎপাদন হয়, তার পুরোটা শিলিগুড়িতে নিলাম হওয়া সম্ভব নয়। ফলে সেখানে নিলামের জন্য দেড়-দু’মাস পর্যন্ত চা ফেলে রাখতে হয়। জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে আগামী ৩১ মার্চ থেকে অকশন চালু হয়ে গেলে ওই সমস্যা থাকবে না বলে মনে করছে চা শিল্পমহল। নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় চা না মেলায় ২০১৫ সালে বন্ধ হয়ে যায় জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার। যদিও এখন পরিস্থিতি অনেক বদলে গিয়েছে বলে মনে করেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়। শনিবার তিনি বলেন, এখন জেলায় অনেক ক্ষুদ্র চা বাগান হয়েছে। ওইসব বাগানের পাতায় বটলিফে প্রচুর চা উৎপাদন হয়। ফলে ১০ বছর পর খুলতে চলা জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার এবার ভালোভাবেই চলবে বলে আশা করি। 
নর্থবেঙ্গল টি অকশন সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে মূলত সিটিসিটি অকশন হবে। জলপাইগুড়ি জেলার অধীন টি বোর্ড স্বীকৃত যে কোনও গোডাউনে চা থাকতে পারে। নিলাম কেন্দ্র থেকে সেই চায়ের ই-অকশন হবে। দ্রুত পরিকাঠামো তৈরি করে ১০ তারিখ অকশনের মহড়া হবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অকশন সেন্টারটির হাল খুব একটা ভালো নয়। ফলে সংস্কারের জন্য রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পুরজিৎবাবু।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ