Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষতায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে টেক্কা দিতে পারে রাজ্য পুলিশ, কনস্টেবলদের ‘বড়াখানা’য় অংশ নিয়ে প্রশংসা শুভেন্দুর

দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা গেলে রাজ্য পুলিশ যে কোনো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে টেক্কা দিতে সক্ষম, এমনটাই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

দক্ষতায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে টেক্কা দিতে পারে রাজ্য পুলিশ, কনস্টেবলদের ‘বড়াখানা’য় অংশ নিয়ে প্রশংসা শুভেন্দুর
  • ৩১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা গেলে রাজ্য পুলিশ যে কোনো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে টেক্কা দিতে সক্ষম, এমনটাই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বারাকপুরের স্বামী বিবেকানন্দ স্টেট পুলিশ আকাদেমিতে আয়োজিত ‘বড়াখানা’ (মধ্যাহ্নভোজ) কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের রাজ্য পুলিশের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে, তারা কেন্দ্রীয় এজেন্সির থেকেও ভালো কাজ করতে পারে। গত দশ সপ্তাহে আপনারা অসাধারণ কাজ করেছেন। দুর্নীতি দমন থেকে শুরু করে চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার—সব ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।’ এদিন আকাদেমিতে সদ্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আড়াই হাজার কনস্টেবলের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এই প্রথম কোনো মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য পুলিশের ‘বড়াখানা’য় অংশ নিলেন। পুলিশ কর্মীদের নানা সমস্যার বিষয় তাঁর নজরে যে রয়েছে, তা জানিয়ে  মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে আমি অবগত। পুলিশ কর্মীদের প্রত্যন্ত এলাকায় থাকতে হয়। অনেক ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। আবাসনের সমস্যা, পানীয় জলের সংকট এবং অন্যান্য লজিস্টিক সমস্যার মধ্যেও আপনারা যে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন, তা প্রশংসনীয়।’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুধু পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেই তিনি দায়িত্ব শেষ করতে চান না। লালবাজার ও ভবানী ভবনে গিয়ে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমি আপনাদের সমস্যা শুনব, আপনাদের পাশে থাকব। এই রাজ্যের অনেক দেনা। আমাদের সাধ আছে। কিন্তু সাধ্য নেই। তবু আপনাদের পাশে আছি।’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণ হলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়, পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে।’ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দেশের মধ্যে সেরা হয়ে উঠবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বড়াখানায় এদিনের মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, আলু ভাজা, আলু পোস্ত, কাতলা মাছ, চিকেন কষা, খাসির মাংস, আমের চাটনি, পাপড়, দই ও মিষ্টি। বেলা দুটো নাগাদ আকাদেমিতে এসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। ছোট্ট বক্তৃতায় পুলিশ কর্মীদের উৎসাহিত করেন। পরে ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ সহ শীর্ষকর্তা ও  প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কনস্টেবলদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অভিনব কাণ্ড ঘটল লাটবাগানে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ