


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের নানা জায়গায় আচমকা জ্বালানির চাহিদা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও সুষ্ঠু জোগান দিতে সব রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রলিয়াম এবং হিন্দুস্থান পেট্রলিয়াম। তাদের দাবি, জোগানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখা হচ্ছে। সংস্থাগুলির বক্তব্য, একদিকে যেমন মরশুমি কৃষিকাজ বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই তুলনামূলক কম দামের কারণে অন্যান্য সংস্থার চেয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির প্রতি আস্থা বাড়ছে ক্রেতাদের। বাণিজ্যিক ক্রেতারাও রিটেল আউটলেটের উপর ভরসা করছে। এর জন্য চাহিদা বেড়েছে। প্লান্ট থেকে রিটেল আউটলেট পর্যন্ত যেমন সর্বস্তরে নিরবিচ্ছন্ন জ্বালানি জোগানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তেমনই রাজ্য সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষিত হচ্ছে, দাবি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। এরাজ্যের স্টেট লেভেল কো-অর্ডিনেটর (অয়েল ইন্ডাস্ট্রি) এবং ইন্ডিয়ান অয়েলের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর (পূর্বাঞ্চল) জিতেন্দ্র কুমার দাবি করেছেন, পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের জোগানের কোনো অভাব নেই। তাই কম জ্বালানি আছে মনে করে এলপিজির প্যানিক বুকিং বা আতঙ্কে তেল বেশি করে কেনার কোনো কারণ নেই। টার্মিনাল বা ডিপো থেকে পেট্রল পাম্পগুলিতে এবং বটলিং প্ল্যান্টগুলি থেকে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে এবং তার যথাযথ মনিটরিং করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।