সংবাদদাতা,জঙ্গিপুর: ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত রুখতে বর্ষা শুরুর আগেই সাফাই অভিযানে নামেন রাজ্যের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান।সোমবার সকালে রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের সন্মতিনগরে সাফাই অভিযানে অংশ নেন তিনি। নর্দমা সাফাই, রাস্তাঘাট ও বাজার এলাকায় সাফাই এর পাশাপাশি এলাকাবাসীকে সচেতনতার বার্তা দেন মন্ত্রী। এদিনের সাফাই অভিযানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সন্মতিনগর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান মর্তুজা শেখ, সদস্য আশিষবরণ দাস সহ স্বাস্থ্যকর্মীরা। সচেতনতার পাশাপাশি রাস্তায় ও দোকান বাজারে আবর্জনা ফেলে নোংরা করায় কড়া ভাষায় সতর্কও করেন তিনি। এলাকা নোংরা ফেললে জরিমানা করা হবে বলেও জানানো হয়। মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। নিজের এলাকা সাফসুতরো রাখবেন বলে জানিয়েছে তারা।
এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান বলেন, ব্লকে ১১জনের রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু ধরা পড়েছে। সামনেই বর্ষার মরশুম, এখনই যদি সচেতন না হই তাহলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়বে। ফলে নিকাশি নালা, ড্রেন ও রাস্তা সাফাই অভিযান চালানো হয়েছে।এলাকাবাসীকে ও সচেতন করা হয়েছে। আগামী দিনে প্রতিটি অঞ্চলে এই সাফাই অভিযান চলবে।
জানা গিয়েছে, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রুখতে বর্ষার আগেই সাফাই অভিযানে অংশ নেন মন্ত্রী। এদিন সন্মতিনগর গ্রামপঞ্চায়েত ভবন থেকে সাফাই অভিযান শুরু হয়।রাস্তার ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্যারিব্যাগ, প্লাস্টিকের বোতল, চায়ের চাপ ও খাবারের মোড়ক সাফাই করেন মন্ত্রী। নিমতলা মোড়ের প্রতিটি দোকানে গিয়ে তিনি সচেতন করেন। দোকানের সামনে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপ ও সাফাই করেন তিনি। সাইদাপুরে জঙ্গিপুর লালগোলা রাজ্যসড়কের পাশে জমে থাকা আবর্জনা সাফাই কর্মীদের দিয়ে তোলা হয়। কোদাল হাতে নিয়ে আবর্জনা তোলেন মন্ত্রী। এরপর সাইদাপুর বাজারে যান মন্ত্রী। স্থানীয় কসাইখানা গিয়ে মালিকদের এলাকাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেন। বাজারের প্রতিটি খাবারের দোকানের মালিককে কড়া ভাষায় তিনি নির্দেশ দেন। বাজার চত্বর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে দোকানের মালিকদের জরিমানা করবে পঞ্চায়েত বলে হুঁশিয়ারী দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আনসুর শেখ বলেন, মন্ত্রী নিজে সাফাই করেন ও আমাদের সাফসুতরা রাখার পরামর্শ দেন। আমরা নিজের এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখব।
প্রধান বলেন, আমার পঞ্চায়েতে দু’জনের ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। ফলে এখন থেকে আমরা এলাকাবাসীকে সতর্ক ও সচেতন করছি। প্রাক্তন প্রধান আশিষবরন দাস বলেন, আমরা যদি বর্ষার আগেই সচেতন হই তাহলে ডেঙ্গুর প্রার্দুভাবকে রুখে দিতে পারব।