Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অচলাবস্থা নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠক তৃণমূল কাউন্সিলারদের সঙ্গে

কাল, মঙ্গলবার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করবেন কৃষ্ণনগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলাররা।

অচলাবস্থা নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠক তৃণমূল কাউন্সিলারদের সঙ্গে
  • ২৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কাল, মঙ্গলবার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করবেন কৃষ্ণনগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলাররা। আলোচনা হবে কৃষ্ণনগর পুরসভার ভবিষ্যৎ নিয়ে। উপস্থিত থাকার কথা সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম ও জয়প্রকাশ মজুমদারের। তাঁরাই কৃষ্ণনগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলারদের ডেকে পাঠিয়েছেন। এমনটাই তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। তার আগে আজ সোমবার অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সভা হবে কৃষ্ণনগর পুরসভায়‌। সেখানেই চেয়ারপার্সনের অপসারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কোনও পুরসভায় অনাস্থা আনা যাবে না। যার জেরে ২৮ জুলাইয়ের এই সভা নিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। তবে এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ চেয়ারপার্সনের বিরোধী গোষ্ঠীর কাউন্সিলাররা। পুরসভার চেয়ারপার্সন রীতা দাস বলেন, এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই চূড়ান্ত। 

Advertisement

কৃষ্ণনগর পুরসভার কংগ্রেসের বিরোধী দলনেত্রী শান্তশ্রী সাহা বলেন,  আজ অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সভা হচ্ছে। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত ২১ জুলাই তিনজন কাউন্সিলারকে চিঠি দিয়ে সভা ডাকার আবেদন জানান ১২ জন কাউন্সিলার। এই ১২ জনের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের এক কাউন্সিলার এবং একজন নির্দল কাউন্সিলার। শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মলয় দত্ত, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিশির কর্মকার এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সৌগত কৃষ্ণদেব, এই তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলারকে চিঠি দেন তাঁরা। ওই তিন কাউন্সিলার চিঠি মারফত জানিয়েছেন, আগামী ২৮ জুলাই অনাস্থা প্রস্তাব সংক্রান্ত বৈঠক ডাকা হয়েছে। যদিও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট তিন কাউন্সিলারের মোবাইল ফোন সুইচড অফ থাকায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে ১৫ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, ১৫ দিনের মধ্যে সেই প্রস্তাব নিয়ে বৈঠক ডাকার দায়িত্ব ছিল চেয়ারপার্সনের। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও বৈঠক হয়নি। ফলে ১১ জুলাই ১৪ জন কাউন্সিলার ভাইস চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে আবার সভা ডাকার দাবি জানান। সেক্ষেত্রে ৭ দিনের মধ্যে বৈঠক ডাকার কথা থাকলেও ১৯ জুলাই সেই সময়সীমাও অতিক্রান্ত হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ