Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কেন্দ্রের সহায়তায় ই-পরিবহণ এবং মেট্রো পরিষেবা বৃদ্ধির আশায় রাজ্য

কেন্দ্রের সহায়তায় ই-পরিবহণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, শহরগুলির মধ্যে উন্নত যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

কেন্দ্রের সহায়তায় ই-পরিবহণ এবং মেট্রো পরিষেবা বৃদ্ধির আশায় রাজ্য
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রের সহায়তায় ই-পরিবহণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, শহরগুলির মধ্যে উন্নত যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। শনিবার ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই কথা জানান।

Advertisement

শনিবার রাজারহাটের একটি পাঁচতারা হোটেলে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ এবং নগরোন্নয়নমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতিতে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’-এর উদ্বোধন হয়। আসানসোল, দুর্গাপুর, বসিরহাট, পুজালি, নৈহাটি, তুফানগঞ্জ, কাঁথি, কৃষ্ণনগর, বৈদ্যবাটি এবং মধ্যমগ্রাম পুরসভায় পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে চালু হচ্ছে এই অ্যাপ। সেখনে এলাকায় জমে থাকা জঞ্জালের ছবি ‘আপলোড’ করলেই পরিষ্কার হবে ১০ মিনিটের মধ্যে। 
এই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বারবার উল্লেখ করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে যে হারে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, তা অতীতে সেভাবে হয়নি। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।’ তিনি জানান, গত তিন সপ্তাহে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পের জন্য প্রায় ৩৯,০০০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন’-এর আওতায় ২,১০৩ কোটি টাকা এবং ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকা মঞ্জুর হয়েছে। কেন্দ্র কিছুটা খরচ বহন করে, এমন বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও নগরোন্নয়নের ক্ষেত্রে কী ধরনের কাজ করা যায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রাজ্যের ছোটো ও মাঝারি পুরসভাগুলিও নতুন ‘আরবান চ্যালেঞ্জ ফান্ড’-এর সুবিধা পাওয়ার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। 
রাজ্যে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধির উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দূষণ বর্তমানে একটি বড়ো উদ্বেগের বিষয়। তাই ই-পরিবহণ ব্যবস্থার প্রসার অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে কেন্দ্রের সহযোগিতা প্রয়োজন।’ তিনি আরও জানান, চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পে যে সামান্য জটিলতা ছিল, তা ইতিমধ্যেই মিটে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন, যেখানে জনসংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ লক্ষের মধ্যে, সেই  শহরগুলিতে মেট্রো পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন। বিদ্যুৎ ক্ষেত্র নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সূর্য ঘর যোজনার আওতায় বিশেষ করে দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষ এবং পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সুবিধা পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য রাজ্যের একটি প্রতিনিধি দল শীঘ্রই দিল্লি যাবে।’

সম্পর্কিত সংবাদ