Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৮টি অত্যাধুনিক পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ল রাজ্য

অন্যান্য ফসলের মতো পেঁয়াজ হিমঘরে রাখা যায় না। সংরক্ষণ করতে হয় শুষ্ক আবহাওয়ায়। এই কারণে পর্যাপ্ত উৎপাদন হলেও বাংলাকে এতদিন নাসিকের পেঁয়াজের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হতো।

৮টি অত্যাধুনিক পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ল রাজ্য
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অন্যান্য ফসলের মতো পেঁয়াজ হিমঘরে রাখা যায় না। সংরক্ষণ করতে হয় শুষ্ক আবহাওয়ায়। এই কারণে পর্যাপ্ত উৎপাদন হলেও বাংলাকে এতদিন নাসিকের পেঁয়াজের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হতো। এই জায়গা থেকে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে এবার কৃষি বিপণন দপ্তর বলাগড়, পোলবা, কালনা-২, পূর্বস্থলি, নওদা, সাগরদিঘি, হাঁসখালি এবং গাজোলে মোট ৩২০ মেট্রিক টন (এক একটি জায়গায় ৪০ মেট্রিক টন করে) পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করল। ভবিষ্যতে এগুলির ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে ৪৮০ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। এই গুদামগুলিতে রসুনও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। রাজ্যের কৃষি বিপণনমন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, মানুষের জন্য ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ সহ অন্যান্য শাকসব্জি সুনিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।’ 

Advertisement

কেউ ব্যক্তিগতভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করতে চাইলে তাঁকে ৫০ শতাংশ বা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হবে বলে এবারের বাজেটে ঘোষণা করেছে রাজ্য। গত বারের ৩৪০০টি ছাড়াও এবছর ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরও ১৪০০ পেঁয়াজ গুদাম তৈরি হয়েছে, যেখানে মোট ৬০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ভর্তুকি পাওয়া গেলে ব্যক্তিগতভাবে আরও অনেকে পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরিতে আগ্রহ দেখাবেন বলে আশাবাদী প্রশাসনিক মহল। ‘সুফল বাংলা’ এবারই প্রথম কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি এবং স্থানীয় ক্রয় কেন্দ্র থেকে বৃহৎ পরিসরে পেঁয়াজ সংগ্রহ করছে। খোলা বাজারে প্রতি কুইন্টাল ১৬০০-১৮০০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয় কৃষকদের। সেই জায়গায় ‘সুফল বাংলা’ ২২০০ টাকা কুইন্টাল দরে পেঁয়াজ কিনছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ