Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

স্টারলিঙ্কের সম্প্রচার: আধারকেই সবথেকে বিশ্বাসযোগ্য বলল কেন্দ্র

আধার কার্ডকে নির্বাচন কমিশন কিছুতেই নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র হিসেবে মেনে নিতে রাজি নয়। শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, বিহারে যাদের নাম স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের পুনরায় আবেদনের ক্ষেত্রে আধার কার্ডকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হোক।

স্টারলিঙ্কের সম্প্রচার: আধারকেই সবথেকে বিশ্বাসযোগ্য বলল কেন্দ্র
  • ২৩ আগস্ট, ২০২৫ ১০:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আধার কার্ডকে নির্বাচন কমিশন কিছুতেই নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র হিসেবে মেনে নিতে রাজি নয়। শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, বিহারে যাদের নাম স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের পুনরায় আবেদনের ক্ষেত্রে আধার কার্ডকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হোক। বিরোধীরা বারবার প্রশ্ন তুলছে আধার কার্ডকে কেন কমিশন নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র মানতে চাইছে না? অথচ এই কমিশন বনাম বিরোধীদের বিবাদ এবং সুপ্রিম কোর্টের শুনানির মধ্যেই মোদি সরকার আধার কার্ডকে অন্যতম সর্বোচ্চ বিশ্বাসযোগ্য পরিচয়পত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। বুধবার আধার কর্তৃপক্ষ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) মার্কিন শিল্পপতি বিশ্বের ধনীতম ধনকুবের এলন মাস্কের স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে।  স্টারলিঙ্ক ভারতে নতুন টেলিকম পরিষেবা চালু করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে স্টারলিঙ্ককে ভারতীয় নাগরিকদের আধার কার্ড যাচাই করার অধিকার দেওয়া হল। অর্থাৎ আধার অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারবে স্টারলিঙ্ক। 

Advertisement

এই চুক্তি সম্পাদনের পর মোদি সরকারের ইলেকট্রনিক এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিস্তারিত একটি বিবৃতিতে আধারের জয়গান গাওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আধার হল ভারতের সবথেকে বিশ্বাসযোগ্য ডিজিটাল আইডেন্টিটি ব্যবস্থার মধ্যে অন্যতম। নো ইয়োর কাস্টমার প্রক্রিয়াকে সবথেকে সহজতম করে তোলে আধার অথেন্টিকেশন। আধারকে অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক বলেছে, ভারতের ডিজিটাল সরকারি পরিকাঠামোর প্রধান স্তম্ভ। মসৃণ বাণিজ্য এবং সুষ্ঠু জীবনযাপনের প্রধানতম অনুঘটকই হল আধার। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া ও অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সমস্যাহীন করেছে আধার কার্ড। এমনকী স্টারলিঙ্কের মতো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা আধার অথেন্টিকেশন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করছে। সেটাই হল, আধারের গ্রহণযোগ্যতার সবথেকে বড় প্রমাণ। 
ভারত সরকার সরকারি বিবৃতিতেই জানাচ্ছে, আধার কার্ডই সবথেকে বিশ্বাসযোগ্য ডিজিটাল আইডেন্টিফিকেশন যাচাই প্রক্রিয়া। অথচ নির্বাচন কমিশন আধার কার্ডকে প্রামাণ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নথি হিসেবে ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে গ্রহণ করছে না। আবার দল হিসেবে বিজেপিও কমিশনের পাশেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ