হরিদ্বার, ২২ অক্টোবর: গঙ্গার প্রত্যেক ঘাটের একটা আলাদা ইতিহাস রয়েছে। হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাটও তার ব্যতিক্রম নয়। সামনেই অর্ধ কুম্ভ মেলা। আর যে মাত্রায় দূষণ বাড়ছে, তাই আগে থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন। কুম্ভের সময় যাতে কোনো সমস্যা না হয়। রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজের জন্য ১৮ দিন হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবে জলস্তরও কমে গিয়েছে। জলস্রোত একেবারেই নেই, হেঁটেই পারাপার করা যাবে।
হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাট এখানকার অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান। হাজার হাজার পুণ্যার্থী প্রতিদিন ভিড় জমান এই জলে ডুব দেওয়ার জন্য। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এখানকার ব্রহ্মকুণ্ডে বিশেষ আরতিও হয়ে থাকে। বলা হয়, এই ঘাটেই নাকি সমুদ্র মন্থনের পর কয়েক ফোঁটা অমৃত পড়েছিল। তাই এখনও বিশ্বাস করা হয়, এখানে স্নান করলে সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়।
তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই সেখানে চলে গিয়েছিলেন, তাঁরা পৌঁছতেই হতাশ হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ জল একেবারে কমে যাওয়ার কারণে সটাং নেমে পড়ছেন গঙ্গাবক্ষে, আর খুঁজছেন পুণ্যার্থীদের ছুঁড়ে দেওয়া কয়েন।
২০২৭ সালে এবছর অর্ধ কুম্ভ মেলাকে ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার। তবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, দীপাবলির আগেই ৭ নভেম্বর মধ্যরাতে জলপ্রবাহ পুনরায় চালু হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরাখণ্ড সেচ বিভাগের এক আধিকারিক পিটিআইকে জানান, রক্ষণাবেক্ষণের কাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য এই গঙ্গা খাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সারাবছর জল থাকায় সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না।



