Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কর্মীসঙ্কট, পুরসভার বেশ কিছু বিভাগে চালু করা যাচ্ছে না অনলাইন পরিষেবা

কর্মী কম। ফলে কোচবিহার পুরসভা বেশ কয়েকটি অনলাইন পরিষেবা চালুই করতে পারছে না। এর ফলে মানুষ যেমন ওই সব পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, পুরসভাকেও হাতেকলমে সব কাজ করতে হচ্ছে।

কর্মীসঙ্কট, পুরসভার বেশ কিছু বিভাগে চালু করা যাচ্ছে না অনলাইন পরিষেবা
  • ৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কর্মী কম। ফলে কোচবিহার পুরসভা বেশ কয়েকটি অনলাইন পরিষেবা চালুই করতে পারছে না। এর ফলে মানুষ যেমন ওই সব পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, পুরসভাকেও হাতেকলমে সব কাজ করতে হচ্ছে। এতে সমস্যা যেমন হচ্ছে, আয়ের ক্ষেত্রেও খামতি দেখা দিচ্ছে। পুরসভার কর্মীসংখ্যা কার্যত তলানিতে ঠেকেছে বলেও জানা গিয়েছে। তবে আয় বাড়াতে আধিকারিকদের নিয়মিত বিভিন্ন আবাসন, ট্রেড লাইসেন্স, টোল ইত্যাদি জায়গায় পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এগজিকিউটিভ অফিসার ও ফিনান্স অফিসার বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন, বৈঠক করবেন। টোল, আবাসন, পার্কিং, অফিসের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে বৈঠকও করা হবে। আয় বাড়ানোর জন্যই এই উদ্যোগ। প্রতি মাসে বিপুল টাকা খরচ হয়। সেই টাকা যাতে উঠে আসে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
রবি জানান, কিছু জায়গায় কোনও কোনও সময়ে আয় কমে যায়। আবার সেটা বাড়েও। মাঝে এই কাজের গতি কিছুটা কম ছিল। সেটাই বাড়ানো হচ্ছে। সবক’টি অনলাইন পরিষেবা চালু করা যায়নি। কর্মী কম থাকার কারণে এটা হচ্ছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি মাসে প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ হয়। বিভিন্ন খাত থেকে সেই টাকা উঠে আসে। কিছু টাকা মাইনে বাবদ সরকার দেয়। সাত-আট মাস আগে পুরসভার কয়েকজন আধিকারিক বদলি হয়ে যান। নতুন আধিকারিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোচবিহার পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম-মৃত্যুর রেকর্ড, বিল্ডিং প্ল্যানের বিষয়টি অনলাইনে করা হয়। কিন্তু সম্পত্তি কর, মিউটেশন, ভাড়া কালেকশন প্রভৃতির কাজ অনলাইনে করা যাচ্ছে না। কর্মী কম থাকার কারণে এই সমস্যা হচ্ছে। পুরসভায় বর্তমানে ১৬৯ জন স্থায়ী কর্মী রয়েছেন। যেখানে আগে মোট ৪৪৩টি পদে লোক ছিলেন। অর্থাৎ, বাকি পদ খালি পড়ে রয়েছে। - ফাইল চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ