নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সেতু না থাকায় সিমলাপালের দুবরাজপুর অঞ্চলের একাধিক গ্রামে ছাত্রছাত্রীদের ‘ড্রপ আউট’ হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাইরি, আঁকড়, খামারডাঙা, অজগড়া সহ অন্যান্য গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা পার্শ্ববর্তী সিমলাপাল অঞ্চলের লায়েকপাড়া রাধেশ্যাম সম্মিলনী বিদ্যামন্দিরে পড়ে। শিলাবতী নদীর জল বাড়লে ৫০০ মিটার দূরের বিদ্যালয় যেতে পাড়ি দিতে হয় আট কিলোমিটার রাস্তা। ফলে বর্ষার সময় চার-পাঁচ মাস অনেকেই স্কুলে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। পরে তাদের মধ্যে বেশকিছু ছাত্রছাত্রী আর বিদ্যালয়মুখী হয় না। অথচ ওই দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে সেতু তৈরি করা গেলে ‘ড্রপ আউটের’ সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে। পাশাপাশি নদীর দু’পাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনেক উন্নত হবে।
Advertisement
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিয় ষন্নিগ্রাহী বলেন, আমাদের স্কুল সিমলাপাল অঞ্চলে অবস্থিত। ফলে দুবরাজপুর অঞ্চলের গ্রামগুলির পড়ুয়াদের নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষার সময় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে আসা বন্ধ হয়ে যায়। তারফলে অনেকেই ড্রপ আউট হয়ে যায়। সেতু না হলেও আপাতত একটি কজওয়ে তৈরি হলে ভালো হয়। তিনি আরও বলেন, বর্ষার সময় আমাদের বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হয়। নদীর ওপাড়ের ছাত্রছাত্রীরা সময়ে ওই পরীক্ষা দিতে পারে না। ফলে তাদের জন্য ফের পরবর্তীকালে পরীক্ষার আয়োজন করতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ শতপথী, কবিতা সিং বলেন, ভাঙনের ফলে নদীর একদিকে খাল বা দহের সৃষ্টি হয়েছে। তারফলে সেখানে সারাবছরই জল থাকে। ছাত্রছাত্রীদের পোশাক জলে ভিজে যায়। বর্ষায় সমস্যা চরমে ওঠে। এলাকায় একটি সেতু হলে ভালো হয়। লায়েকপাড়ার স্কুলে মাধ্যমিক পর্যন্ত পঠনপাঠন হয়। উচ্চ মাধ্যমিকস্তরে পড়াশোনার জন্য আমাদের এলাকার ছাত্রছাত্রীদের সিমলাপালে যেতে হয়। সেতু হলে তাদেরও সুবিধা হবে। তফসিলি ও আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামগুলির অনেকেই প্রথম প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা কমবে।
সিমলাপালের নবনির্বাচিত বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, দুবরাজপুর অঞ্চলে বিকল্প উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। তবে নদী লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দারা বাড়ির ছেলেমেয়েদের লায়েকপাড়া হাই স্কুলেই পাঠিয়ে থাকেন। যোগাযোগের সমস্যার বিষয়টি আমাদের নজরেও পড়েছে। সেখানে সেতু বা কজওয়ে তৈরি করা যায় কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ শতপথী, কবিতা সিং বলেন, ভাঙনের ফলে নদীর একদিকে খাল বা দহের সৃষ্টি হয়েছে। তারফলে সেখানে সারাবছরই জল থাকে। ছাত্রছাত্রীদের পোশাক জলে ভিজে যায়। বর্ষায় সমস্যা চরমে ওঠে। এলাকায় একটি সেতু হলে ভালো হয়। লায়েকপাড়ার স্কুলে মাধ্যমিক পর্যন্ত পঠনপাঠন হয়। উচ্চ মাধ্যমিকস্তরে পড়াশোনার জন্য আমাদের এলাকার ছাত্রছাত্রীদের সিমলাপালে যেতে হয়। সেতু হলে তাদেরও সুবিধা হবে। তফসিলি ও আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামগুলির অনেকেই প্রথম প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা কমবে।
সিমলাপালের নবনির্বাচিত বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, দুবরাজপুর অঞ্চলে বিকল্প উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। তবে নদী লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দারা বাড়ির ছেলেমেয়েদের লায়েকপাড়া হাই স্কুলেই পাঠিয়ে থাকেন। যোগাযোগের সমস্যার বিষয়টি আমাদের নজরেও পড়েছে। সেখানে সেতু বা কজওয়ে তৈরি করা যায় কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।



