নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: তার নামে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট। প্রতিটি অ্যাকাউন্টেই তার ভিন্ন ভিন্ন নাম। ফটোশপ করে নিজের ছবি আকর্ষণীয় করে তুলতে ওস্তাদ সে। সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যাটে উত্তেজক কথাবার্তা বলতেও পটু। এইভাবেই একের পর এক যুবকের মাথা খেয়ে তাদের বিয়ের ফাঁদে ফেলত। তারপর বধূ নির্যাতনের মিথ্যা মামলা করে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়ে ভেগে পড়ত পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ‘রঙ্গিলা’।
Advertisement
এদিকে পুলিসি জেরায় সে জানিয়েছে, তার একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কীভাবে খোলা হয়েছে তা জানে না সে। তার বক্তব্য, এক একজন তাকে ভালোবেসে যে নামে ডাকত সেই নামেই প্রোফাইল চলত। কিন্তু কে খুলে দিয়েছিল সেই প্রোফাইলগুলি? পুলিসের এই প্রশ্নে টুঁ শব্দ করছে না সে। নিজের মোবাইলে অ্যাকাউন্টগুলি চালালেও, কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়, তা নাকি জানেই না রঙ্গিলা। পুলিসের অনুমান, তার নামের যেসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণা করা হয়, সেগুলি অন্য কেউ চালনা করে। তার এই এত প্রোফাইল একসঙ্গে চালানোর পিছনে কোনও ছোটখাটো আইটি সেল আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
বহরমপুর থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, নাম বদলে বিয়ে করে প্রতারণা করাকে রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিল ‘রঙ্গিলা’ ওরফে আয়েশা সুলতানা ওরফে পাপিয়া খাতুন। গ্রেপ্তার হওয়ার আগের রাতেও এক যুবককে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে সে। একাধিক নামে তাকে চেনে সোশ্যাল মিডিয়ার যুবকরা। একাধিক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বহু ছেলের সঙ্গে চ্যাট করত। উত্তেজনামূলক কথা বলে তাদের বশ করে প্রতারণার ছক কষত।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে সিঙ্গাপুর থেকে এক যুবককে বহরমপুরে ডেকে এনে বিয়ে করে ওই যুবতী। বিয়ের পর বহরমপুরের রাধারঘাটের উত্তরপাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেছিল তারা। দিন কুড়ি সংসার করার পর যুবকের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয় রঙ্গিলা।
প্রতারিত হয়ে বর্ধমানের ওই মেধাবী যুবক বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হয়। ঠগিনীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিস। শেষ পর্যন্ত বৃহম্পতিবার বীরভূমের লাভপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। রবিবার ওই যুবতীর পুলিসি হেফাজত শেষ হয়। তাকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর রঙ্গিলা নিজের জীবনের করুণ কাহিনি বলে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। তবে লাভ হয়নি কিছুই। সে পুলিসকে জানিয়েছে, তার প্রথম বিয়ে হয় ১৩ বছর বয়সে। সে যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে, তখন কেতুগ্রামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে দেয় পরিবার। একটি সন্তান হওয়ার পর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ওই সন্তানের চিকিৎসা, দেখভাল ও ভালোভাবে বাঁচার জন্য সে সংসার করতে চেয়েছিল। কিন্তু কেউ তার সঙ্গে সংসার করত না।
এইভাবেই সে পরপর পাঁচটি বিয়ে করে ফেলেছে। তবে প্রতিবারই স্বামীদের নামে থানায় নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করে টাকা আদায় করত। এবারও একই কায়দায় নতুন স্বামীর বিরুদ্ধে আগেভাগে বহরমপুর থানায় মামলা দায়ের করে। তবে ওই যুবক জামিন নিয়ে পাল্টা রঙ্গিলার নামে অভিযোগ দায়ের করতেই পুরো ঘটনা সামনে আসে।
বহরমপুর থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, নাম বদলে বিয়ে করে প্রতারণা করাকে রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিল ‘রঙ্গিলা’ ওরফে আয়েশা সুলতানা ওরফে পাপিয়া খাতুন। গ্রেপ্তার হওয়ার আগের রাতেও এক যুবককে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে সে। একাধিক নামে তাকে চেনে সোশ্যাল মিডিয়ার যুবকরা। একাধিক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বহু ছেলের সঙ্গে চ্যাট করত। উত্তেজনামূলক কথা বলে তাদের বশ করে প্রতারণার ছক কষত।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে সিঙ্গাপুর থেকে এক যুবককে বহরমপুরে ডেকে এনে বিয়ে করে ওই যুবতী। বিয়ের পর বহরমপুরের রাধারঘাটের উত্তরপাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেছিল তারা। দিন কুড়ি সংসার করার পর যুবকের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয় রঙ্গিলা।
প্রতারিত হয়ে বর্ধমানের ওই মেধাবী যুবক বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হয়। ঠগিনীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিস। শেষ পর্যন্ত বৃহম্পতিবার বীরভূমের লাভপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। রবিবার ওই যুবতীর পুলিসি হেফাজত শেষ হয়। তাকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর রঙ্গিলা নিজের জীবনের করুণ কাহিনি বলে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। তবে লাভ হয়নি কিছুই। সে পুলিসকে জানিয়েছে, তার প্রথম বিয়ে হয় ১৩ বছর বয়সে। সে যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে, তখন কেতুগ্রামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে দেয় পরিবার। একটি সন্তান হওয়ার পর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ওই সন্তানের চিকিৎসা, দেখভাল ও ভালোভাবে বাঁচার জন্য সে সংসার করতে চেয়েছিল। কিন্তু কেউ তার সঙ্গে সংসার করত না।
এইভাবেই সে পরপর পাঁচটি বিয়ে করে ফেলেছে। তবে প্রতিবারই স্বামীদের নামে থানায় নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করে টাকা আদায় করত। এবারও একই কায়দায় নতুন স্বামীর বিরুদ্ধে আগেভাগে বহরমপুর থানায় মামলা দায়ের করে। তবে ওই যুবক জামিন নিয়ে পাল্টা রঙ্গিলার নামে অভিযোগ দায়ের করতেই পুরো ঘটনা সামনে আসে।



