সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: ট্রাফিক পুলিসের অভাব। স্কুল সময়েযানজট লেগেই থাকছে। এ হল নবদ্বীপ চারপল্লি বারোয়ারি সংলগ্ন ষষ্ঠীতলার মোড়ের প্রতিদিনের চিত্র।চরম ভোগান্তি আর হয়রানির শিকার পড়ুয়া থেকে সাধারণ মানুষ। সপ্তাহের প্রথমে দিন সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত এই যানজট লেগেই থাকে। যার জেরে সঠিক সময়েস্কুলে পৌঁছতে পারছে না ছাত্রছাত্রীরা।
Advertisement
নবদ্বীপ হরিসভা পাড়া মোড় থেকে বুড়ো শিবতলা রোড যাওয়ার রাস্তায় ষষ্ঠীতলার মোড়ে পরিস্থিতিএলোমেলো। বেপরোয়া টোটো, স্কুটি, মোটরসাইকেল, সাইকেল রিকশর দাপটে যানজট বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে স্কুলের সময়ে ওই রাস্তার মোড়ে ট্রাফিক পুলিসের ব্যবস্থা করা হোক।
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার নবদ্বীপ ট্রাফিক উইংসের ভারপ্রাপ্ত ওসি পলাশ বিশ্বাস বলেন, আমরা শুনেছি স্কুল টাইমে ওই এলাকায় যানজট হচ্ছে। এবিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। স্কুলের সময়ে ওই জায়গায় দ্রুত ট্রাফিক পুলিসের ব্যবস্থা করা হবে।
নবদ্বীপের প্রাণকেন্দ্র পোড়ামাতলা মোড় থেকে বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশনে যাওয়ার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মাঝে পড়ে এই ষষ্ঠীতলার মোড়। একদিকে পুরসভার দু’ নম্বর ওয়ার্ড আর একদিকে পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড। এই ষষ্ঠীতলা মোড় হয়ে প্রতিদিন নবদ্বীপ উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে প্রতাপনগর, কপালিপাড়া, প্রাচীন মায়াপুর, আগমেশ্বরী পাড়া, বাঁধ রোডের বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কলেজ পড়ুয়ারা যাতায়াত করেন। প্রতিদিনইসকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ষষ্ঠীতলা মোড়ে তীব্র যানজট হয়। এই রাস্তা দিয়ে ট্রেন ধরতে যাতায়াত করেন প্রচুর মানুষ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অন্ততপক্ষে স্কুলের সময় পড়ুয়াদের কথা ভেবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হোক।
ষষ্ঠীতলার মোড়ে স্টেশনারি দোকান শ্রীবাস রায়ের। তিনি বলেন, এই চার মাথার মোড়ে একই সঙ্গে চার দিক থেকে গাড়ি এসে যানজট তৈরি করছে। প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগে আছে। এছাড়া বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশন থেকে ট্রেনের যাত্রীরা এই রাস্তা দিয়ে যান। ওই সময়ের মধ্যে দু’টি ট্রেনের প্যাসেঞ্জাররা নামেন হল্ট স্টেশনে। প্রতিদিনের এই যানজটের সমস্যা মেটাতে স্থানীয় দোকানদারদের রাস্তায় নেমে যান নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।
নবদ্বীপ তারাসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রুমা ঘোষ জানায়, মালঞ্চ পাড়া থেকে আমি প্রতিদিনই সাইকেল করে স্কুলে আসি। এই রাস্তায় এতটাই যানজট থাকে যে বাধ্য হয়ে আমাকে ঘুরপথে স্কুল আসতে হয়। এই রাস্তা দিয়ে যেতে প্রতিমুহূর্তেই ভয় লাগে।এই রাস্তাটা এমনিতেই সংকীর্ণ, তার মধ্যে যেভাবে অন্যান্য যানবাহন যাতায়াত করে, তাতে স্কুলের সময় খুবই সমস্যায় পড়তে হয়।রানিরচড়ার বাসিন্দা গৃহবধূ সোমা সাহা বলেন, আমার ছেলে হিন্দু স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। এই রাস্তায় সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। সেজন্য ছেলেকে ছাড়তে ভয় লাগে। তাই প্রতিদিন আমি ছেলেকে স্কুলে দিতে যাই এবং ছুটির পরে নিতে যাই। অবশ্যই এখানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দরকার।
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার নবদ্বীপ ট্রাফিক উইংসের ভারপ্রাপ্ত ওসি পলাশ বিশ্বাস বলেন, আমরা শুনেছি স্কুল টাইমে ওই এলাকায় যানজট হচ্ছে। এবিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। স্কুলের সময়ে ওই জায়গায় দ্রুত ট্রাফিক পুলিসের ব্যবস্থা করা হবে।
নবদ্বীপের প্রাণকেন্দ্র পোড়ামাতলা মোড় থেকে বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশনে যাওয়ার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মাঝে পড়ে এই ষষ্ঠীতলার মোড়। একদিকে পুরসভার দু’ নম্বর ওয়ার্ড আর একদিকে পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড। এই ষষ্ঠীতলা মোড় হয়ে প্রতিদিন নবদ্বীপ উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে প্রতাপনগর, কপালিপাড়া, প্রাচীন মায়াপুর, আগমেশ্বরী পাড়া, বাঁধ রোডের বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কলেজ পড়ুয়ারা যাতায়াত করেন। প্রতিদিনইসকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ষষ্ঠীতলা মোড়ে তীব্র যানজট হয়। এই রাস্তা দিয়ে ট্রেন ধরতে যাতায়াত করেন প্রচুর মানুষ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অন্ততপক্ষে স্কুলের সময় পড়ুয়াদের কথা ভেবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হোক।
ষষ্ঠীতলার মোড়ে স্টেশনারি দোকান শ্রীবাস রায়ের। তিনি বলেন, এই চার মাথার মোড়ে একই সঙ্গে চার দিক থেকে গাড়ি এসে যানজট তৈরি করছে। প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগে আছে। এছাড়া বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশন থেকে ট্রেনের যাত্রীরা এই রাস্তা দিয়ে যান। ওই সময়ের মধ্যে দু’টি ট্রেনের প্যাসেঞ্জাররা নামেন হল্ট স্টেশনে। প্রতিদিনের এই যানজটের সমস্যা মেটাতে স্থানীয় দোকানদারদের রাস্তায় নেমে যান নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।
নবদ্বীপ তারাসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রুমা ঘোষ জানায়, মালঞ্চ পাড়া থেকে আমি প্রতিদিনই সাইকেল করে স্কুলে আসি। এই রাস্তায় এতটাই যানজট থাকে যে বাধ্য হয়ে আমাকে ঘুরপথে স্কুল আসতে হয়। এই রাস্তা দিয়ে যেতে প্রতিমুহূর্তেই ভয় লাগে।এই রাস্তাটা এমনিতেই সংকীর্ণ, তার মধ্যে যেভাবে অন্যান্য যানবাহন যাতায়াত করে, তাতে স্কুলের সময় খুবই সমস্যায় পড়তে হয়।রানিরচড়ার বাসিন্দা গৃহবধূ সোমা সাহা বলেন, আমার ছেলে হিন্দু স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। এই রাস্তায় সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। সেজন্য ছেলেকে ছাড়তে ভয় লাগে। তাই প্রতিদিন আমি ছেলেকে স্কুলে দিতে যাই এবং ছুটির পরে নিতে যাই। অবশ্যই এখানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দরকার।



