সংবাদদাতা, কাঁথি: একটু আগেই শিশুপুত্রকে চিপস কিনে দিয়েছেন। ছোট্ট ছেলে মায়ের কাছে বাড়ি ফেরার বায়না ধরেছিল। স্টেশনে থাকা অন্য লোকজন ঘুণাক্ষরেও টের পাননি, কিছুক্ষণের মধ্যেই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যাবে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ খেজুরির হেঁড়িয়া স্টেশনের কাছে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিলেন মা। ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল দু’জনের দেহ। দীঘা-পাঁশকুড়া রেলপথে এই মর্মান্তিক ঘটনায় এখনও শিউরে উঠছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম মমতা গিরি(২৫) ও রাহুল গিরি(৫)। বাড়ি হেঁড়িয়ার জরারনগরে। এদিন ছেলেকে নিয়ে হাওড়াগামী তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসের সামনে ঝাঁপ দেন মমতা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে অশান্তির জেরেই ওই বধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। দীঘা জিআরপি থানার পুলিস দু’টি দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
Advertisement
লাখি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল জানা বলেন, মর্মান্তিক ঘটনা। অশান্তির কারণে ওই বধূ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। হেঁড়িয়া ফাঁড়ির আইসি শেখ আসিফউদ্দিন বলেন, মৃতার বাপেরবাড়ির তরফে এখনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ছ’বছর আগে জরারনগরের বাসিন্দা বাপন গিরির সঙ্গে কলিয়াচক গ্রামের মমতার বিয়ে হয়। বাপন পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। বাড়িতে শ্বশুর-শাশুড়ি ও ভাশুর-জায়ের সঙ্গে থাকতেন মমতা। শ্বশুরবাড়ির আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় পরচুলা তৈরির কাজ করতেন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে শ্বশুর-শাশুড়ি সহ পরিবারের অন্যদের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিসকে জানিয়েছেন, এদিন বেলা ১২টার আগে ছেলেকে নিয়ে হেঁড়িয়া স্টেশনের ধারে ঘোরাঘুরি করছিলেন মমতা। ছেলেকে চিপসও কিনে দেন। স্টেশনে থাকা কয়েকজন ওই বধূর কাছে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি এখানে কেন বাচ্চা নিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। জবাবে মমতা বলেন, ছেলেকে নিয়ে একটু ঘুরতে বেরিয়েছি। এরপর ছেলেকে নিয়ে আচমকা তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসের সামনে ঝাঁপ দেন। কাছে গোরু চরাতে থাকা দু’একজন পুরুষ-মহিলা দৌড়ে এলেও লাভ হয়নি। তাঁরা পৌঁছনোর আগেই ট্রেনের ধাক্কায় বধূ ও তাঁর শিশুসন্তানের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।
খবর পেয়ে দীঘা জিআরপি ও পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে কর্মস্থল থেকে আসেন বাপন। বধূর শ্বশুরবাড়ির সামনে পড়শিরা বিক্ষোভ দেখান। মমতার বাবা গৌরহরি দাস বলেন, মেয়ের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার উপর শারীরিক-মানসিক অত্যাচার চালাত। অনেকবার আলোচনা করেও অশান্তি মেটানো যায়নি। মেয়ের পরচুলা তৈরির পরিশ্রমের টাকা নিয়ে নিত। ছেলেকে খাবার কিনে দেওয়ার টাকাও দিত না। আমরা ওই পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করব। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ছ’বছর আগে জরারনগরের বাসিন্দা বাপন গিরির সঙ্গে কলিয়াচক গ্রামের মমতার বিয়ে হয়। বাপন পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। বাড়িতে শ্বশুর-শাশুড়ি ও ভাশুর-জায়ের সঙ্গে থাকতেন মমতা। শ্বশুরবাড়ির আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় পরচুলা তৈরির কাজ করতেন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে শ্বশুর-শাশুড়ি সহ পরিবারের অন্যদের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিসকে জানিয়েছেন, এদিন বেলা ১২টার আগে ছেলেকে নিয়ে হেঁড়িয়া স্টেশনের ধারে ঘোরাঘুরি করছিলেন মমতা। ছেলেকে চিপসও কিনে দেন। স্টেশনে থাকা কয়েকজন ওই বধূর কাছে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি এখানে কেন বাচ্চা নিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। জবাবে মমতা বলেন, ছেলেকে নিয়ে একটু ঘুরতে বেরিয়েছি। এরপর ছেলেকে নিয়ে আচমকা তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসের সামনে ঝাঁপ দেন। কাছে গোরু চরাতে থাকা দু’একজন পুরুষ-মহিলা দৌড়ে এলেও লাভ হয়নি। তাঁরা পৌঁছনোর আগেই ট্রেনের ধাক্কায় বধূ ও তাঁর শিশুসন্তানের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।
খবর পেয়ে দীঘা জিআরপি ও পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে কর্মস্থল থেকে আসেন বাপন। বধূর শ্বশুরবাড়ির সামনে পড়শিরা বিক্ষোভ দেখান। মমতার বাবা গৌরহরি দাস বলেন, মেয়ের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার উপর শারীরিক-মানসিক অত্যাচার চালাত। অনেকবার আলোচনা করেও অশান্তি মেটানো যায়নি। মেয়ের পরচুলা তৈরির পরিশ্রমের টাকা নিয়ে নিত। ছেলেকে খাবার কিনে দেওয়ার টাকাও দিত না। আমরা ওই পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করব। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।



