সংবাদদাতা, ঘাটাল: স্ত্রীকে ‘বড় ফোন’ কিনে দিয়েই কাল হল যুবকের। সেই ফোনের মাধ্যমেই অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে প্রায় ৫০ গ্রাম সোনা এবং ছ’হাজার টাকা সহ সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বেপাত্তা হলেন দাসপুর থানার গোপীনাথপুরের এক বধূ। স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে পেতে ভিনরাজ্য থেকে বাড়ি ফিরে মরিয়া উত্তম ভুঁইয়া নামে ওই যুবক। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। পুলিস জানিয়েছে, নিখোঁজ বধূর নাম প্রিয়াঙ্কা ভুঁইয়া। বৃহস্পতিবার থেকে সন্তান সহ প্রিয়াঙ্কার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বধূর বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
উত্তম পেশায় স্বর্ণশিল্পী। প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতে তিনি সোনার কাজ করেন। বছর দশেক আগে পাশের গ্রাম ঘাটাল থানার সাদিচকের ছাতিক পরিবারে দেখাশোনা করে প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে ওই যুবকের বাড়িতে তাঁর বাবা-মা এবং সাত বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বেশ সুখেরই ছিল সংসার। স্ত্রীকে খুশি করতে কয়েক মাস আগে ভিনরাজ্যে কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্মার্টফোন কিনে দেন। তিনি বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ছিল মাঝে মাঝে ভিডিও কলে ছেলে ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। তার পাশাপাশি বাড়ির কাজের অবসরে স্ত্রী ফোন ঘেঁটে কিছুটা সময় কাটাতে পারবে।’ সেই বড় ফোনই যে সংসার ভাঙার মতো বড় সমস্যা ডেকে আনবে, তা ঘুনাক্ষরেও ভাবতে পারেননি উত্তম। ফোন হাতে পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। উত্তম বলেন, ‘কয়েক মাস হল যখনই স্ত্রীকে ফোন করি, তখনই ফোন ব্যস্ত থাকে। গভীর রাত পর্যন্ত মেসেঞ্জারে তাকে অনলাইনে দেখা যায়। কারণ জিজ্ঞেস করা হলে প্রিয়াঙ্কা অসংলগ্ন উত্তর দিত।’
গত বৃহস্পতিবার হঠাৎই প্রিয়াঙ্কা তাঁর একমাত্র পুত্রসন্তানকে নিয়ে বেপাত্তা হয়ে যান। সেই সঙ্গে উত্তমের তৈরি করে দেওয়া ৫০ গ্রাম সোনা এবং সংসার খরচের জন্য পাঠানো পাঁচ হাজার টাকাও প্রিয়াঙ্কা নিয়ে পালিয়েছেন। আত্মীয়বাড়ি বা বিভিন্ন জায়গাতে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। উত্তম জানান, রবিবার একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন করে স্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর বাড়ি ফিরবেন না।
উত্তমের মা অবশ্য বার বার ছেলেকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, বউমাকে যেন তিনি বড় ফোন কিনে না দেওয়া হয়। এদিন তিনি বলছিলেন,
‘আমরা লোকের মুখে শুনেছি ওসব ফোনে জাদু থাকে। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রিয়াঙ্কাকে অন্যরকম দেখাত। তখনই আমাদের সন্দেহটা আরও বাড়ে। আমি যেটা আশঙ্কা করেছিলাম সেটাই হল। নাতিটাকেও নিয়ে চলে যাবে, সেটা আমি কখনই ভাবিনি।’
গত বৃহস্পতিবার হঠাৎই প্রিয়াঙ্কা তাঁর একমাত্র পুত্রসন্তানকে নিয়ে বেপাত্তা হয়ে যান। সেই সঙ্গে উত্তমের তৈরি করে দেওয়া ৫০ গ্রাম সোনা এবং সংসার খরচের জন্য পাঠানো পাঁচ হাজার টাকাও প্রিয়াঙ্কা নিয়ে পালিয়েছেন। আত্মীয়বাড়ি বা বিভিন্ন জায়গাতে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। উত্তম জানান, রবিবার একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন করে স্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর বাড়ি ফিরবেন না।
উত্তমের মা অবশ্য বার বার ছেলেকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, বউমাকে যেন তিনি বড় ফোন কিনে না দেওয়া হয়। এদিন তিনি বলছিলেন,
‘আমরা লোকের মুখে শুনেছি ওসব ফোনে জাদু থাকে। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রিয়াঙ্কাকে অন্যরকম দেখাত। তখনই আমাদের সন্দেহটা আরও বাড়ে। আমি যেটা আশঙ্কা করেছিলাম সেটাই হল। নাতিটাকেও নিয়ে চলে যাবে, সেটা আমি কখনই ভাবিনি।’



