সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: সংস্কারের মাত্র একবছরের মধ্যেই রাস্তার পিচ উঠে এবড়োখেবড়ো হয়ে গিয়েছে। ঝাড়গ্রাম-মানিকপাড়া সড়কের বাঁশতলা গ্রাম ও স্টেশনের পাশের অংশের দশা এমনই। ফলে স্থানীয়দের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারাণ্ডি বলেন, এলাকার মানুষ লিখিতভাবে সমস্যার কথা জানালে বিষয়টি মিটিংয়ে তুলে ধরা হবে।
Advertisement
কয়েকবছর আগে এই পাকা রাস্তা তৈরি হয়েছিল। ঝাড়গ্রামের চুবকা, সর্ডিহা, মানিকপাড়া, দুধকুণ্ডি ,বাঁধগোড়া ও শালবনী পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। মানিকপাড়া থেকে লোধাশুলির ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ঝাড়গ্রাম আসতে ২৫ কিমি পেরতে হয়। কিন্তু এই পাকা রাস্তা ধরে গেলে ছয় কিমি কম দূরত্ব পড়ে। তাই মানিকপাড়ার মানুষ এই রাস্তা ধরেই ঝাড়গ্রাম যাতায়াত করেন।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর থেকে টাটানগর অবধি নতুন রেললাইন তৈরির সময় ভারী লরি ও অন্য গাড়ি নিয়মিত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করত। ফলে রাস্তার নানা জায়গায় পিচ ও পাথর উঠে যায়। প্রায় একবছর আগে পথশ্রী প্রকল্পে ফের রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সেটি আবার খারাপ হয়ে গিয়েছে। বেহাল রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সাইকেল, বাইক চলাচল করছে।
বাঁশতলার এক বাসিন্দা বলেন, সংস্কারের সময় দায়সারাভাবে কাজ করা হয়েছিল। গর্তগুলি এমনভাবে বোজানো হয়েছিল যে, একবছর পর সেই খানাখন্দ ফের দেখা যাচ্ছে।
জেলা পরিষদের স্থানীয় সদস্য কমল মাহাত বলেন, এলাকার বাসিন্দারা একটি গণস্বাক্ষর-সম্বলিত স্মারকলিপি দিলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করব।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর থেকে টাটানগর অবধি নতুন রেললাইন তৈরির সময় ভারী লরি ও অন্য গাড়ি নিয়মিত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করত। ফলে রাস্তার নানা জায়গায় পিচ ও পাথর উঠে যায়। প্রায় একবছর আগে পথশ্রী প্রকল্পে ফের রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সেটি আবার খারাপ হয়ে গিয়েছে। বেহাল রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সাইকেল, বাইক চলাচল করছে।
বাঁশতলার এক বাসিন্দা বলেন, সংস্কারের সময় দায়সারাভাবে কাজ করা হয়েছিল। গর্তগুলি এমনভাবে বোজানো হয়েছিল যে, একবছর পর সেই খানাখন্দ ফের দেখা যাচ্ছে।
জেলা পরিষদের স্থানীয় সদস্য কমল মাহাত বলেন, এলাকার বাসিন্দারা একটি গণস্বাক্ষর-সম্বলিত স্মারকলিপি দিলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করব।



