নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়তা দেখালে হবে না। মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে। তা ছাড়া সংগঠন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কালনায় সিপিএমের জেলা সম্মেলনে এমনই বার্তা দেওয়া হল। সিপিএমের এক নেতা বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় তৃণমূলের ভাবমূর্তি ক্ষতি হচ্ছে। অনেক মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব থাকলে হবে না। বুথস্তরে গিয়ে কাজ করতে হবে।
Advertisement
সিপিএম সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার জেলা সম্মেলন শেষ হবে। এদিন জেলা সম্পাদক নির্বাচন করা হবে। দলের বড় অংশ তরুণ প্রজন্মের কাঁধে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার দাবি করেছে। তাদের মতে, জেলা কমিটিতেও নতুন মুখ আনতে হবে। প্রবীণ কয়েকজন নেতা সম্পাদকমণ্ডলীতে রয়েছেন। তাঁদের জায়গায় নতুনদের তুলে আনতে হবে। পুরনোদের আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে থাকা উচিত।
দলের একাংশের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু সংসদে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রার্থীদের জেতানোর জন্য নেতৃত্বের মধ্যে গাছাড়া মনোভাব দেখা দিয়েছিল। দল জিততে পারে এমন ধারণা অনেকের ছিল না। তারপরও গলসি, রায়নার কিছু জায়গায় সাফল্য এসেছে। কিন্তু অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রে সেই লড়াই দেওয়া যায়নি। তার মূল কারণ অনেকেই লড়াইয়ের আগে হার স্বীকার করে নিয়েছিলেন। এক নেতা বলেন, দলে অনেক কিছুই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয় না। নতুনদের জায়গা দেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই বলা হচ্ছে। কিন্তু তা বাস্তবে হচ্ছে না। মহিলা সমিতি শহরেই সীমাবদ্ধ থেকে গিয়েছে। গ্রামের তাঁদের সেই সক্রিয়তা নেই। শাখা সংগঠনগুলি নিয়ে নেতৃত্বের চিন্তাভাবনা নেই।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, একদা ‘লাল দুর্গ’ বর্ধমান জেলার সংগঠন কার্যত কোমায় চলে গিয়েছে। পঞ্চায়েত বা লোকসভা নির্বাচনে তারা মাথা তুলতে পারেনি। লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে খামতি ছিল বলেও এদিনের সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে বামেদের ভোট বিজেপির ঝুলিতে পড়েছিল। এবার সেটা হয়নি। বামেদের একটা অংশের ভোট বিজেপি না পেলেও তা সিপিএমের ঝুলিতে আসেনি। সেই কারণে ভোট বাড়েনি। এসসি, এসটি এবং সংখ্যালঘু এলাকায় আরও বেশি করে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দলের একাংশের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু সংসদে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রার্থীদের জেতানোর জন্য নেতৃত্বের মধ্যে গাছাড়া মনোভাব দেখা দিয়েছিল। দল জিততে পারে এমন ধারণা অনেকের ছিল না। তারপরও গলসি, রায়নার কিছু জায়গায় সাফল্য এসেছে। কিন্তু অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রে সেই লড়াই দেওয়া যায়নি। তার মূল কারণ অনেকেই লড়াইয়ের আগে হার স্বীকার করে নিয়েছিলেন। এক নেতা বলেন, দলে অনেক কিছুই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয় না। নতুনদের জায়গা দেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই বলা হচ্ছে। কিন্তু তা বাস্তবে হচ্ছে না। মহিলা সমিতি শহরেই সীমাবদ্ধ থেকে গিয়েছে। গ্রামের তাঁদের সেই সক্রিয়তা নেই। শাখা সংগঠনগুলি নিয়ে নেতৃত্বের চিন্তাভাবনা নেই।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, একদা ‘লাল দুর্গ’ বর্ধমান জেলার সংগঠন কার্যত কোমায় চলে গিয়েছে। পঞ্চায়েত বা লোকসভা নির্বাচনে তারা মাথা তুলতে পারেনি। লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে খামতি ছিল বলেও এদিনের সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে বামেদের ভোট বিজেপির ঝুলিতে পড়েছিল। এবার সেটা হয়নি। বামেদের একটা অংশের ভোট বিজেপি না পেলেও তা সিপিএমের ঝুলিতে আসেনি। সেই কারণে ভোট বাড়েনি। এসসি, এসটি এবং সংখ্যালঘু এলাকায় আরও বেশি করে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



