নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সাংসদের অনুরোধে বাঁকুড়ায় আধারের শিবির করতে চলেছে ডাক বিভাগ। বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী সম্প্রতি আধারের বিশেষ শিবির করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে চিঠি লিখেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে ডাক বিভাগ বাঁকুড়া শহরে আধারের শিবির করার ব্যাপারে রাজি হয়েছে। শুক্রবার ডাক বিভাগের বাঁকুড়া অফিস থেকে এব্যাপারে সাংসদকে চিঠি দেওয়া হয়। আগামী ২৩ডিসেম্বর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পোদ্দারপাড়া দুর্গা মন্দিরে প্রথম শিবিরটি আয়োজিত হবে। সেদিন সাংসদ ওই শিবিরের উদ্বোধন করবেন। ডাক বিভাগের আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন।
Advertisement
অরূপবাবু বলেন, সরকারি সুযোগ সুবিধা হোক বা ব্যাঙ্কিং পরিষেবা, বর্তমানে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক হয়েছে। অথচ ওই কার্ড নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই। কারও কার্ডে তথ্য ভুল রয়েছে, কেউ আবার দীর্ঘদিন আবেদন করেও আধার পাননি। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আমার কাছে বাসিন্দারা অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। ফলে আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে চিঠি পাঠিয়েছিলাম। অবিলম্বে জেলায় বিশেষ আধার শিবির করার বিষয়টি ওই চিঠিতে লেখা ছিল। বাঁকুড়া ডাক বিভাগের সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্টের তরফে আমাকে চিঠি দিয়ে বিশেষ শিবিরের ব্যাপারে সম্মতি জানানো হয়েছে। শিবির আয়োজন করার জন্য আমাদের বলা হয়েছে। পুরসভার-২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রাজীব দে’কে শহরজুড়ে শিবির আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডাক বিভাগের তরফে যাবতীয় ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
রাজীববাবু বলেন, শিবিরে নতুন কার্ড, পুরনো আধার সংশোধনের কাজ হবে। শিশু সহ যে কোনও বয়সের লোকজন আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। দ্রুততার সঙ্গে নতুন ও সংশোধিত আধার কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।
ডাক বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শিবির আয়োজনের ব্যাপারে আমরা সাংসদকে চিঠি দিয়েছি। শিবিরের দিনক্ষণও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইমতো তা আয়োজন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
ডাকবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩, ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর পোদ্দার পাড়ার শিবিরে ২, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সুবিধা পাবেন। ২৮, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর শহরের নতুনগঞ্জ এলাকার একটি ধর্মশালায় আয়োজিত শিবিরে ১, ৩ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পরিষেবা পাবেন। ২-৪ জানুয়ারি হিন্দু হাইস্কুলের শিবির থেকে ৪, ৫, ৬, ৭ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে। ৭-৯ জানুয়ারি শহরের কেঠারডাঙার শিবিরে ১৯ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আধার সংক্রান্ত বিষয়ে পরিষেবা পাবেন। ১০, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি শহরের লোকপুর এলাকার একটি ক্লাবে শিবির করা হবে। সেখানে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন। ১৬-১৮ জানুয়ারি সারদামণি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিবির থেকে ১১, ২১ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সুবিধা পাবেন। ২১-২৩ জানুয়ারি তামলিবাঁধ এলাকার একটি লজে আয়োজিত শিবির থেকে ১০, ১২ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পরিষেবা দেওয়া হবে।
রাজীববাবু বলেন, শিবিরে নতুন কার্ড, পুরনো আধার সংশোধনের কাজ হবে। শিশু সহ যে কোনও বয়সের লোকজন আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। দ্রুততার সঙ্গে নতুন ও সংশোধিত আধার কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।
ডাক বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শিবির আয়োজনের ব্যাপারে আমরা সাংসদকে চিঠি দিয়েছি। শিবিরের দিনক্ষণও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইমতো তা আয়োজন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
ডাকবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩, ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর পোদ্দার পাড়ার শিবিরে ২, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সুবিধা পাবেন। ২৮, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর শহরের নতুনগঞ্জ এলাকার একটি ধর্মশালায় আয়োজিত শিবিরে ১, ৩ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পরিষেবা পাবেন। ২-৪ জানুয়ারি হিন্দু হাইস্কুলের শিবির থেকে ৪, ৫, ৬, ৭ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে। ৭-৯ জানুয়ারি শহরের কেঠারডাঙার শিবিরে ১৯ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আধার সংক্রান্ত বিষয়ে পরিষেবা পাবেন। ১০, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি শহরের লোকপুর এলাকার একটি ক্লাবে শিবির করা হবে। সেখানে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন। ১৬-১৮ জানুয়ারি সারদামণি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিবির থেকে ১১, ২১ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সুবিধা পাবেন। ২১-২৩ জানুয়ারি তামলিবাঁধ এলাকার একটি লজে আয়োজিত শিবির থেকে ১০, ১২ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পরিষেবা দেওয়া হবে।



