সংবাদদাতা, পতিরাম: সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। এমনই অভিযোগ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। এনিয়ে বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিলেন সুকান্ত। তাঁর অভিযোগ, প্রায় দু’বছর আগে অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যদপ্তরকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের ক্যাম্পাসেই পড়ে রয়েছে। তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। অ্যাম্বুলেন্সটি যাতে সাধারণ মানুষের পরিষেবার কাজে লাগানো হয় সেজন্য চিঠি দিলেন তিনি। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর অবশ্য বিজেপি সাংসদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি মানুষের কাজেই লাগানো হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে।
Advertisement
জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাসের দাবি, তিন-চারমাস আগে অ্যাম্বুলেন্সটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সটি চালানো হচ্ছে না, এটা একেবারেই ভুল। অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার হচ্ছে। না জেনেই অভিযোগ করা হচ্ছে।
প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করছে তৃণমূল, কটাক্ষ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকারের। বলেছেন, তৃণমূল চায় না, বিজেপি সাংসদের মাধ্যমে জনগণ সুবিধা পান। সুকান্তবাবুর উন্নয়নকে ভয় পায় তৃণমূল।
বিজেপির অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি। বলেছেন, প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করে। দল দলের মতো কাজ করে। অ্যাম্বুলেন্সটি নিশ্চয় ব্যবহার হচ্ছে। বিজেপি না জেনেই মিথ্যে অভিযোগ করছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় দু’বছর আগে অ্যাম্বুলেন্সটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সিএমওইচ অফিসের নীচ তলায় ছিল। মানুষের কাজে লাগানো হয় না বলে অভিযোগ। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কোথাও কোনও অনুষ্ঠান হলে অ্যাম্বুলেন্সটি পাঠানো হয়। দুর্গাপুজাতেও অনেক জায়গায় কাজে লাগানো হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সটি। কিছুদিন আগে বাহনটির মাধ্যমে বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রোগী পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করছে তৃণমূল, কটাক্ষ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকারের। বলেছেন, তৃণমূল চায় না, বিজেপি সাংসদের মাধ্যমে জনগণ সুবিধা পান। সুকান্তবাবুর উন্নয়নকে ভয় পায় তৃণমূল।
বিজেপির অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি। বলেছেন, প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করে। দল দলের মতো কাজ করে। অ্যাম্বুলেন্সটি নিশ্চয় ব্যবহার হচ্ছে। বিজেপি না জেনেই মিথ্যে অভিযোগ করছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় দু’বছর আগে অ্যাম্বুলেন্সটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সিএমওইচ অফিসের নীচ তলায় ছিল। মানুষের কাজে লাগানো হয় না বলে অভিযোগ। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কোথাও কোনও অনুষ্ঠান হলে অ্যাম্বুলেন্সটি পাঠানো হয়। দুর্গাপুজাতেও অনেক জায়গায় কাজে লাগানো হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সটি। কিছুদিন আগে বাহনটির মাধ্যমে বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রোগী পাঠানো হয়েছে।



