নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: চলতি বছরে সাংসদ তহবিল থেকে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে ৪ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। যার মধ্যে শুধু তেহট্ট বিধানসভাতেই বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য এক কোটির বেশি টাকা খরচ করছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাকা পেয়েছে কালীগঞ্জ বিধানসভা। তবে করিমপুর বিধানসভাতে সর্বাধিক সংখ্যক প্রকল্পের কাজ হয়েছে। সব মিলিয়ে সাংসদ তহবিলে থেকে মোট ২৮টি প্রকল্পের কাজ করা হচ্ছে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রজুড়ে। চব্বিশে কৃষ্ণনগর লোকসভার সাংসদ হওয়ার পর সাত থেকে আট মাসের মধ্যেই এইসব কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছেন মহুয়া। বেশ কিছু কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সেগুলোর বরাদ্দকৃত অর্থ কুড়ি লক্ষ টাকা পর্যন্ত। যে সমস্ত প্রকল্পের জন্য মোটা টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, তার কাজ বর্তমানে অনেকটাই এগিয়েছে।
Advertisement
মহুয়া বলেন, ‘মানুষের দাবি-দাওয়া, সুবিধে-অসুবিধের কথা মাথায় রেখে প্রকল্প বাছাই করা হয়েছিল। সাংসদ তহবিলের টাকা সেইমতো বারদ্দ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় বেশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে। আগামী দিনেও সাংসদ তহবিলের টাকা মানুষের কাজে ব্যয় করা হবে।
জানা গিয়েছে, চাপড়া বিধানসভায় বহু প্রতীক্ষিত বাস স্ট্যান্ডের জন্য ৮৮ লক্ষ টাকা দিয়েছেন মহুয়া। এছাড়াও কালীগঞ্জ বিধানসভায় দু’টি প্রকল্পের জন্য ৯০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। যার মধ্যে মাটিয়ারি পঞ্চায়েত এলাকার নিচুপাড়া কালভার্টের জন্য ৬৫ লক্ষ টাকা এবং গোবরা পঞ্চায়েতের বল্লভপাড়া ফেরিঘাটের কাছে শ্মশানঘাট বানাতে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছেন। উল্লেখ্য, এই দুই বিধানসভাতেই চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভালো লিড পেয়েছিল। সাংসদ হওয়ার প্রথম বছরে মহুয়া মৈত্র সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছেন তেহট্ট বিধানসভার জন্য। তেহট্ট-১ ব্লকের নাটনা পঞ্চায়েতে কালভার্ট তৈরির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা, দিগলকান্দি পঞ্চায়েতে কালভার্ট নির্মাণের জন্য ৪৯ লক্ষ টাকা সহ চারটি প্রকল্পের জন্য মোট ১ কোটি ৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬০ টাকা বরাদ্দ করেছেন। ঘটনাচক্রে এই তেহট্ট বিধানসভাতেই লোকসভা নির্বাচনে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এছাড়াও, করিমপুর বিধানসভার করিমপুর-১ ও করিমপুর -২ ব্লক মিলিয়ে মোট দশটি প্রকল্পের জন্য ৭০ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৭৭ টাকা বরাদ্দ করেছেন। যার মধ্যে করিমপুর-১ ব্লকের করিমপুর হাসপাতালের লিফ্ট সংস্কার, করিমপুর থানা সংস্কার, করিমপুর আরএমসি গ্রাউন্ডের প্রবেশ পথ তৈরির কাজ। সেইসঙ্গে করিমপুর-২ ব্লকের নতিডাঙ্গা-১ পঞ্চায়েতের হাসপাতালের ওপিডি বিল্ডিংয়ের শেড নির্মাণ, হাসপাতালের নার্সিং স্টেশন সংস্কার, নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালের পুরনো কোয়ার্টার সংস্কার সহ বিভিন্ন কাজ হচ্ছে সাংসদ তহবিলের টাকায়। সেইসঙ্গে নাকাশিপাড়া বিধানসভায় পাঁচটি প্রকল্পের জন্য ৫৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৭৫ টাকা বরাদ্দ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে মুড়াগাছা হাই স্কুলের অডিটরিয়াম হল, দোগাছি পঞ্চায়েতের দু’টি আইসিডিএস সেন্টার, বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালের ওপিডি বিল্ডিংয়ের ওষুধ মজুত করার ঘর, বসার ঘর এবং রিসেপশন তৈরি হচ্ছে সাংসদ তহবিলের টাকাতে। এছাড়াও পলাশীপাড়া বিধানসভায় চারটি প্রকল্পের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছেন। -ফাইল চিত্র
জানা গিয়েছে, চাপড়া বিধানসভায় বহু প্রতীক্ষিত বাস স্ট্যান্ডের জন্য ৮৮ লক্ষ টাকা দিয়েছেন মহুয়া। এছাড়াও কালীগঞ্জ বিধানসভায় দু’টি প্রকল্পের জন্য ৯০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। যার মধ্যে মাটিয়ারি পঞ্চায়েত এলাকার নিচুপাড়া কালভার্টের জন্য ৬৫ লক্ষ টাকা এবং গোবরা পঞ্চায়েতের বল্লভপাড়া ফেরিঘাটের কাছে শ্মশানঘাট বানাতে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছেন। উল্লেখ্য, এই দুই বিধানসভাতেই চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভালো লিড পেয়েছিল। সাংসদ হওয়ার প্রথম বছরে মহুয়া মৈত্র সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছেন তেহট্ট বিধানসভার জন্য। তেহট্ট-১ ব্লকের নাটনা পঞ্চায়েতে কালভার্ট তৈরির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা, দিগলকান্দি পঞ্চায়েতে কালভার্ট নির্মাণের জন্য ৪৯ লক্ষ টাকা সহ চারটি প্রকল্পের জন্য মোট ১ কোটি ৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬০ টাকা বরাদ্দ করেছেন। ঘটনাচক্রে এই তেহট্ট বিধানসভাতেই লোকসভা নির্বাচনে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এছাড়াও, করিমপুর বিধানসভার করিমপুর-১ ও করিমপুর -২ ব্লক মিলিয়ে মোট দশটি প্রকল্পের জন্য ৭০ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৭৭ টাকা বরাদ্দ করেছেন। যার মধ্যে করিমপুর-১ ব্লকের করিমপুর হাসপাতালের লিফ্ট সংস্কার, করিমপুর থানা সংস্কার, করিমপুর আরএমসি গ্রাউন্ডের প্রবেশ পথ তৈরির কাজ। সেইসঙ্গে করিমপুর-২ ব্লকের নতিডাঙ্গা-১ পঞ্চায়েতের হাসপাতালের ওপিডি বিল্ডিংয়ের শেড নির্মাণ, হাসপাতালের নার্সিং স্টেশন সংস্কার, নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালের পুরনো কোয়ার্টার সংস্কার সহ বিভিন্ন কাজ হচ্ছে সাংসদ তহবিলের টাকায়। সেইসঙ্গে নাকাশিপাড়া বিধানসভায় পাঁচটি প্রকল্পের জন্য ৫৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৭৫ টাকা বরাদ্দ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে মুড়াগাছা হাই স্কুলের অডিটরিয়াম হল, দোগাছি পঞ্চায়েতের দু’টি আইসিডিএস সেন্টার, বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালের ওপিডি বিল্ডিংয়ের ওষুধ মজুত করার ঘর, বসার ঘর এবং রিসেপশন তৈরি হচ্ছে সাংসদ তহবিলের টাকাতে। এছাড়াও পলাশীপাড়া বিধানসভায় চারটি প্রকল্পের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছেন। -ফাইল চিত্র



