Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসএসসি: অযোগ্য তালিকায় বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির মেয়ে

এসএসসির অযোগ্য চাকরিপ্রাপকদের তালিকায় নাম উঠেছে বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুদেবী মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমি মণ্ডলের।

এসএসসি: অযোগ্য তালিকায় বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির মেয়ে
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: এসএসসির অযোগ্য চাকরিপ্রাপকদের তালিকায় নাম উঠেছে বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুদেবী মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমি মণ্ডলের। মৌসুমি বনগাঁর একটি স্কুলের ভূগোলের শিক্ষিকা। তালিকায় ৮৭৮ নম্বরে নাম রয়েছে তাঁর। সভাপতির মেয়ের নাম ‘দাগী’ তালিকায় থাকায় এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। মেয়ের নাম অযোগ্যদের তালিকায় থাকায় সুদেবী মণ্ডলের বক্তব্য, ‘বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। বিচার ব্যবস্থার উপর আমার আস্থা আছে। একদিন সত্য প্রকাশিত হবে।’

Advertisement

সুদেবী মণ্ডল ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাগদার বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। পরের পাঁচ বছর তিনি ছিলেন ওই পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেত্রী। ২০১৮ সালে বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ হন। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর তিনি বাগদা গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। তবে টাকা দিয়ে তাঁর মেয়ে চাকরি পেয়েছেন, এই দাবি মানতে নারাজ তিনি। তাঁর জোরের সঙ্গে দাবি করেন, আমার মেয়ে সঠিকভাবে পরীক্ষা দিয়েই চাকরি পেয়েছে।
বাগদার রামনগরের বাসিন্দা তিনি। পাশেই মামাভাগ্নে গ্রাম। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খবরের শিরোনামে আসে বাগদার এই মামাভাগ্নে গ্রাম। গ্রামের বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল গ্রেপ্তার হয়েছেন এই মামলায়। অভিযোগ, চন্দন মণ্ডলের হাত ধরে অনেকেই চাকরি পেয়েছেন। যদিও তাঁর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তিনি বলেন, ‘চন্দনকে আগে চিনতাম না। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁর কথা জানতে পেরেছি।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, ‘অযোগ্যদের যে তালিকা বেরিয়েছে, তাতে প্রায় সকলেই তৃণমূলের কোনও না কোনও নেতার আত্মীয়। এটা নতুন কিছু নয়। আসলে তৃণমূল মানেই দুর্নীতি।’ এবিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘আইন আইনের পথে চলবে। কেউ দোষী হলে আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ