সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদে এবার আগাম সর্ষে চাষের ফলন চাষিদের মুখে চওড়া হাসি ফুটিয়েছে। রোগ পোকার কোনওরকম আক্রমণ ছাড়াই চাষিরা নির্বিঘ্নে সর্ষে খামারে তুলতে শুরু করেছেন। ফলন ভালো হচ্ছে বলে দাবি চাষিদের। পাশাপাশ ফসল ওঠার মুখে বাজারে সর্ষের দামও ভালো রয়েছে। তবে দেরিতে চাষ করা সর্ষের ফলন নিয়ে কিছুটা হলেও চাষিদের উদ্বেগ রয়েছে। চাষিদের দাবি, এখনও যে জমিতে সর্ষেগাছে হলুদ ফুল রয়েছে সেই জমিতে জবা পোকার আক্রমণ হতে শুরু করেছে। তাতে ফলন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১ লক্ষ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষে ও রাই চাষ হয়। সাগরদিঘি ব্লকে সব থেকে বেশি পরিমাণ জমিতে সর্ষে চাষ হয়। এছাড়া হরিহরপাড়া, বহরমপুর সদর ব্লক সহ ডোমকল মহকুমায় কমবেশি সর্ষে চাষ হয়। কান্দি মহকুমার চাষিদের সর্ষে অপেক্ষা আলু চাষের উপর আগ্রহ বেশি থাকে। এবার আলুর দাম নীচে নামায় চাষিরা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন। তবে রাই, সর্ষে চাষিদের মুখে হাসি ফিরিয়ে দিয়েছে।
চাষিদের দাবি, সর্ষে চাষে খরচ ও পরিশ্রম দু’টোই কম হয়। জমিতে একটা চাষ দেওয়ার পর অল্প রাসায়নিক সার দিয়েই বীজ বপন করা হয়। এক বা দু’বার জলসেচ দিতে হয়। কাটা এবং ঝড়ানোর মজুরিও বেশি। বিঘা প্রতি চাষে খরচ হয় ২০০০ টাকা। কেটে ঝড়াতে শ্রমিক খরচা হয় আরও ৪০০০ টাকা। সর্ষে চাষিদের দাবি, এবার রাই ও সর্ষের ফলন খুবই ভালো। রোগ পোকার হামলা না হওয়ায় বিঘাপ্রতি চার কুইন্টাল হারে ফলন হচ্ছে। এখন সর্ষের মান অনুপাতে ৪৫০০-৫০০০ টাকা কুইন্টাল দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষিদের দাবি, খরচা বাদে বিঘা প্রতি ১২-১৪ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। লাভজনক ফসল হিসেবে কৃষিদপ্তরও চাষিদের তৈলবীজ শষ্যের চাষ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে। সরকারি সাহায্যে বীজও সরবরাহ করা হচ্ছে।
হরিহরপাড়ার সর্ষে চাষি কুতুবউদ্দিন শেখ তিন বিঘা জমিতে সর্ষেচাষ করেছেন। কুতুবউদ্দিন সাহেব বলেন, বহুদিন পর এবার সর্ষেচাষে ভালো আয় হওয়ায় আমরা খুশি। ইতিমধ্যে দু’বিঘা জমির ফসল ঝড়িয়ে ঘরে তুলেছি। বাকি জমির ফসল কেটে খামারে মজুত করেছি।
চাষিদের দাবি, সর্ষে চাষে খরচ ও পরিশ্রম দু’টোই কম হয়। জমিতে একটা চাষ দেওয়ার পর অল্প রাসায়নিক সার দিয়েই বীজ বপন করা হয়। এক বা দু’বার জলসেচ দিতে হয়। কাটা এবং ঝড়ানোর মজুরিও বেশি। বিঘা প্রতি চাষে খরচ হয় ২০০০ টাকা। কেটে ঝড়াতে শ্রমিক খরচা হয় আরও ৪০০০ টাকা। সর্ষে চাষিদের দাবি, এবার রাই ও সর্ষের ফলন খুবই ভালো। রোগ পোকার হামলা না হওয়ায় বিঘাপ্রতি চার কুইন্টাল হারে ফলন হচ্ছে। এখন সর্ষের মান অনুপাতে ৪৫০০-৫০০০ টাকা কুইন্টাল দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষিদের দাবি, খরচা বাদে বিঘা প্রতি ১২-১৪ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। লাভজনক ফসল হিসেবে কৃষিদপ্তরও চাষিদের তৈলবীজ শষ্যের চাষ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে। সরকারি সাহায্যে বীজও সরবরাহ করা হচ্ছে।
হরিহরপাড়ার সর্ষে চাষি কুতুবউদ্দিন শেখ তিন বিঘা জমিতে সর্ষেচাষ করেছেন। কুতুবউদ্দিন সাহেব বলেন, বহুদিন পর এবার সর্ষেচাষে ভালো আয় হওয়ায় আমরা খুশি। ইতিমধ্যে দু’বিঘা জমির ফসল ঝড়িয়ে ঘরে তুলেছি। বাকি জমির ফসল কেটে খামারে মজুত করেছি।



