সংবাদদাতা, কালনা: কালনার ঐতিহ্যবাহী সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। স্বপ্নময় আলোর শহরে পরিণত হয়েছে নগর কালনা। পুজোর দিনের ভিড় এড়াতে অনেকে শনিবার থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে দেখেন। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
Advertisement
সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে আগামিকাল সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শহরের ৪০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিকেল ৪টে থেকে নো-এন্ট্রি থাকছে। টোটো, অটো বা কোনও ভারী যান চলাচল করবে না। গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও পুজো মণ্ডপ এলাকায় পুলিস মোতায়েন থাকবে। নদীয়ার দিক থেকে ভাগীরথী নদী পেরিয়ে বহু দর্শনার্থী পুজো দেখতে আসেন। তাই ফেরিঘাটগুলিতে নজরদারির সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কালনার ঐতিহ্যবাহী সরস্বতী পুজোর আড়ম্বর বর্তমানে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। শহর ও সংলগ্ন এলাকায় শতাধিক পুজো হয়। শনিবার তৃতীয়ার রাত থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। এবার রেকর্ড ভিড় হবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা। এবছর জাপট যুগের দীপ ক্লাব বাঁশ ও ঘুড়ি দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়েছে। অগ্নিবীণা ক্লাবের সুদৃশ্য মণ্ডপ ও প্রতিমায় চমক থাকছে। নিউ ফরোয়ার্ড ক্লাবের প্রতিমা ও আলো দর্শনার্থীদের মন জয় করবে। ভাদুড়িপাড়ার জুবলিস্টার ক্লাবের মণ্ডপ হয়েছে দক্ষিণের রামেশ্বর মন্দিরের আদলে। পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার হিমঘরের মাঠে ত্রিধারার পুরীর জগন্নাথ মন্দির, শহরতলির তালবোনা সপ্তর্ষি সঙ্ঘের ‘প্রান্ত জনের আত্মকথা, চারাবাগান ইয়ংবেঙ্গল ক্লাবের থিম ‘নীল আকাশের নীচে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’। এখানে থাকছে দশভুজা সরস্বতী প্রতিমা। জাপট কালীতলা নেতাজি তরুণ সমিতির বেনারসের ঘাট, লক্ষ্মণপাড়ার রয়্যাল ক্লাবের থিম তিব্বতের বৌদ্ধমন্দির, আমলাপুকুর ইয়ং বয়েজের থিম এক টুকরো রাজস্থান, শ্যামরাইপাড়ার সূর্য সমিতির থিম আকাশ আলোয় ভরা, লালবাগান নটরাজ ‘যোগ সাধনে মগ্ন মন’, বারুইপাড়া দক্ষিণ বারোয়ারির থিম বাণিজ্য বসতে লক্ষ্মী, দীপালি সঙ্ঘের থিম বৃন্দাবনের আদলে মন্দির, জাগরণী ক্লাবের অশ্বত্থ পাতার প্রতিমা, ওয়ান্টেড বয়েজের থিম পদ্মা গর্ভে বীণাপাণি। স্বর্ণদীপ ক্লাব এবার হাজির করেছে কয়েকশো হীরে দিয়ে তৈরি প্রতিমা। কালনার এসডিপিও রাকেশকুমার চৌধুরী বলেন, পুজোয় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিস মোতায়েন সহ সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশকিছু রুটে বিকেলের পর নো-এন্ট্রি করা হয়েছে। ফেরিঘাটগুলিতে অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে।
কালনার ঐতিহ্যবাহী সরস্বতী পুজোর আড়ম্বর বর্তমানে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। শহর ও সংলগ্ন এলাকায় শতাধিক পুজো হয়। শনিবার তৃতীয়ার রাত থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। এবার রেকর্ড ভিড় হবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা। এবছর জাপট যুগের দীপ ক্লাব বাঁশ ও ঘুড়ি দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়েছে। অগ্নিবীণা ক্লাবের সুদৃশ্য মণ্ডপ ও প্রতিমায় চমক থাকছে। নিউ ফরোয়ার্ড ক্লাবের প্রতিমা ও আলো দর্শনার্থীদের মন জয় করবে। ভাদুড়িপাড়ার জুবলিস্টার ক্লাবের মণ্ডপ হয়েছে দক্ষিণের রামেশ্বর মন্দিরের আদলে। পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার হিমঘরের মাঠে ত্রিধারার পুরীর জগন্নাথ মন্দির, শহরতলির তালবোনা সপ্তর্ষি সঙ্ঘের ‘প্রান্ত জনের আত্মকথা, চারাবাগান ইয়ংবেঙ্গল ক্লাবের থিম ‘নীল আকাশের নীচে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’। এখানে থাকছে দশভুজা সরস্বতী প্রতিমা। জাপট কালীতলা নেতাজি তরুণ সমিতির বেনারসের ঘাট, লক্ষ্মণপাড়ার রয়্যাল ক্লাবের থিম তিব্বতের বৌদ্ধমন্দির, আমলাপুকুর ইয়ং বয়েজের থিম এক টুকরো রাজস্থান, শ্যামরাইপাড়ার সূর্য সমিতির থিম আকাশ আলোয় ভরা, লালবাগান নটরাজ ‘যোগ সাধনে মগ্ন মন’, বারুইপাড়া দক্ষিণ বারোয়ারির থিম বাণিজ্য বসতে লক্ষ্মী, দীপালি সঙ্ঘের থিম বৃন্দাবনের আদলে মন্দির, জাগরণী ক্লাবের অশ্বত্থ পাতার প্রতিমা, ওয়ান্টেড বয়েজের থিম পদ্মা গর্ভে বীণাপাণি। স্বর্ণদীপ ক্লাব এবার হাজির করেছে কয়েকশো হীরে দিয়ে তৈরি প্রতিমা। কালনার এসডিপিও রাকেশকুমার চৌধুরী বলেন, পুজোয় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিস মোতায়েন সহ সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশকিছু রুটে বিকেলের পর নো-এন্ট্রি করা হয়েছে। ফেরিঘাটগুলিতে অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে।



