সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুত রয়েছে। কৃষকদের তাই চিন্তা করার কিছু নেই। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন জলপাইগুড়ি জেলা কৃষি আধিকারিক গোপালচন্দ্র সাহা। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, সারের কালোবাজারি রুখতে জেলার প্রতিটি ব্লকে তাঁদের নজরদারি চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই। সারের পাশাপাশি কীটনাশকের দোকানগুলিতেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। এবার আগেভাগে কৃষিদপ্তর উদ্যোগী হওয়ায় খুশি কৃষকরাও।
Advertisement
আলুর মরশুম শুরু হয়েছে। প্রতিবছর এই সময় সারের কালোবাজারির অভিযোগ ওঠে। তবে এবার প্রথম থেকেই তৎপর কৃষিদপ্তর। প্রত্যেকটি ব্লকে সার সঠিক দরে বিক্রয় হচ্ছে কি না সেটা দেখছেন দপ্তরের কর্মীরা। জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, সার নিয়ে ময়নাগুড়ি ব্লকে কোনও সমস্যা নেই। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা সম্প্রতি বৈঠকও করেছি। ন্যায্যমূল্যেই সার বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিবছর যেটা সমস্যা হয় সেটা হল ১০ শতাংশ ইউরিয়া, ২৬ শতাংশ পটাশ, ২৬ শতাংশ ফসফেট সংমিশ্রণে যে সার রয়েছে সেটা নিয়ে। কিন্তু কৃষিদপ্তর থেকে এবং আমরা কৃষকদের বারংবার জানিয়ে দিয়ে থাকি সংশ্লিষ্ট ওই সারের পরিবর্তে আলাদা আলাদা প্রচুর সার রয়েছে। কিন্তু কৃষকদের ওই সার বেশি পছন্দের। সেই কারণে সমস্যা হয়। তবে এখন কৃষকরা সেটা বুঝছে। আরএকটি সমস্যা হল, সারের বস্তার সঙ্গে কোম্পানিগুলি কিছু ওষুধ ট্যাগ করে দেয়। এতে আমাদের কিছু করার থাকে না। অনেক সময় কৃষক সেটা নিতে অস্বীকার করেন। তখন কৃষকরা বলেন, সারের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে। যদি কোনও ব্যবসায়ী সারের কালোবাজারি করেন, তাহলে ব্যবসায়ী সমিতি তাঁর পাশে দাঁড়াবে না। প্রশাসন নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিতেই পারে।
কৃষি আধিকারিক বলেন, প্রচুর সার মজুত রয়েছে জেলায়। একটি নির্দিষ্ট মিশ্রণ সার কৃষকের বেশি পছন্দ। তার পরিবর্তেও অনেক সার রয়েছে। তা জমিতে প্রয়োগ করলে কোনও সমস্যা হবে না, সেটা চাষিদের বোঝানো হচ্ছে। কালোবাজির রুখতে আমরা নজর রাখছি।
ময়নাগুড়ির আমগুড়ির কৃষক উমেশ রায়, দোমোহনির চাষি মানস সরকার বলেন, গতবছর সার কিনতে গিয়ে হয়রানি হতে হয়েছে। অতিরিক্তি দাম দিয়ে সার কিনেছি। এবার প্রশাসন আগেভাগে তৎপর হওয়ায় আশা করছি ওই সমস্যার মুখোমুখি হব না। আলুর বীজের দাম ঠিকঠাক রয়েছে। কীটনাশকও ন্যায্যমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই, প্রশাসন নিয়মিত বাজারে নজর রাখুক।
কৃষি আধিকারিক বলেন, প্রচুর সার মজুত রয়েছে জেলায়। একটি নির্দিষ্ট মিশ্রণ সার কৃষকের বেশি পছন্দ। তার পরিবর্তেও অনেক সার রয়েছে। তা জমিতে প্রয়োগ করলে কোনও সমস্যা হবে না, সেটা চাষিদের বোঝানো হচ্ছে। কালোবাজির রুখতে আমরা নজর রাখছি।
ময়নাগুড়ির আমগুড়ির কৃষক উমেশ রায়, দোমোহনির চাষি মানস সরকার বলেন, গতবছর সার কিনতে গিয়ে হয়রানি হতে হয়েছে। অতিরিক্তি দাম দিয়ে সার কিনেছি। এবার প্রশাসন আগেভাগে তৎপর হওয়ায় আশা করছি ওই সমস্যার মুখোমুখি হব না। আলুর বীজের দাম ঠিকঠাক রয়েছে। কীটনাশকও ন্যায্যমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই, প্রশাসন নিয়মিত বাজারে নজর রাখুক।



