নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সারের কালোবাজারি রুখতে তৎপর হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা কৃষিদপ্তর। জেলার তরফে একটি বিশেষ দল নজরদারি চালাচ্ছে। পাশাপাশি চারটি কৃষি মহকুমায় একটি করে দল অভিযানে নেমেছে। রবিশস্য চাষের সময় চাষিদের যাতে সার পেতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য ঝাঁপিয়েছে কৃষিদপ্তর। সার নিয়ন্ত্রণ আইনের বাইরে গিয়ে কোনও বিক্রেতা দাম বেশি নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেলার একাধিক জায়গায় বেনিয়ম ধরা পড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জেলা কৃষিদপ্তর কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। এখনও পর্যন্ত জেলার একজন সার বিক্রেতার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ৫৫জন সার বিক্রেতাকে। চারজন ব্যবসায়ীকে ২১দিনের জন্য সার বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা কৃষিদপ্তর।
Advertisement
কৃষিদপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, জেলায় এখনও পর্যন্ত ৭০২টি খুচরো সার বিক্রেতার দোকান এবং ৮৪টি পাইকারি দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। অর্থাৎ, মোট ৭৮৬টি দোকানে গিয়ে সার বিক্রির রসিদ এবং চাষিদের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছেন পরিদর্শন দলের সদস্যরা। জেলার উপ-কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) মোহনলাল কুমার বলেন, আমাদের জেলায় সার পাওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। সর্বত্র যথেষ্ট পরিমাণে স্টক আছে। তা সত্ত্বেও সারের কালোবাজারি যাতে না হয়, তা নিয়ে আমরা লাগাতার অভিযান চালাচ্ছি। রবি মরশুম শুরু হতেই এখনও পর্যন্ত জেলায় ৭৮৬টি দোকানে পরিদর্শন করা হয়েছে। সার নিয়ন্ত্রণ আইনের বাইরে গেলেই বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আমাদের জেলায় ৫৫জনকে শোকজ করা হয়েছে। একটি লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। চারটি দোকান থেকে ২১দিনের জন্য সার বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি।
রবি মরশুমে মুর্শিদাবাদ জেলায় সবথেকে বেশি সর্ষে এবং পেঁয়াজ চাষ হয়। কান্দি মহকুমায় বেশকিছু এলাকায় আলুচাষ করেন চাষিরা। এর ফলে ১০:২৬:২৬ ও ডিএপি সারের চাহিদা ভালোই রয়েছে। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীদের একাংশ কালোবাজারিতে নেমে পড়ে বলে অভিযোগ। তাই প্রথম থেকেই কড়া হয়েছে কৃষিদপ্তর। জেলাজুড়ে কৃষিদপ্তরের অভিযানের ফলে খুশি চাষিরা। প্রতিটি ব্লকেই যাতে ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চালানো হয়, তার আর্জি কৃষিদপ্তরের কাছে জানানো হয়েছে।
লালবাগের চাষি মহম্মদ হান্নান রহমান বলেন, এই সময় ১০:২৬:২৬ ও ডিএপি সারের চাহিদা ভালো রয়েছে। দোকানে গেলে কম স্টক থাকার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়া হয়। আবার কখনও একটি সারের সঙ্গে অন্যান্য জিনিস কেনার জন্য জোর জবরদস্তি করা হয়। অনেক সারের দোকানদার সার বিক্রির পরে ঠিকমতো রসিদ দেন না। কৃষিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালালে খুবই সুবিধা হবে। হরিহরপাড়ার চাষি রতন ঘোষ বলেন, শীতের সময় প্রতিবছর সারের চাহিদা বাড়ে। সেই জন্য ব্যবসায়ীরা অনেক সময় স্টক নেই বলে কম পরিমাণে সার দিতে থাকে। অনেক জায়গায় বাড়তি দাম নেওয়া হয়। সেজন্য আমরা বহরমপুর থেকে সার কিনে আনি। তবে এবছর মরশুমের প্রথম থেকে নজরদারি দল বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শন করার ফলে সুবিধা হয়েছে। সারা বছর যাতে এভাবে সারের কালোবাজারি রুখতে পরিদর্শন জারি থাকে, সেই জন্য কৃষিদপ্তরকে আমরা অনুরোধ করব।
রবি মরশুমে মুর্শিদাবাদ জেলায় সবথেকে বেশি সর্ষে এবং পেঁয়াজ চাষ হয়। কান্দি মহকুমায় বেশকিছু এলাকায় আলুচাষ করেন চাষিরা। এর ফলে ১০:২৬:২৬ ও ডিএপি সারের চাহিদা ভালোই রয়েছে। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীদের একাংশ কালোবাজারিতে নেমে পড়ে বলে অভিযোগ। তাই প্রথম থেকেই কড়া হয়েছে কৃষিদপ্তর। জেলাজুড়ে কৃষিদপ্তরের অভিযানের ফলে খুশি চাষিরা। প্রতিটি ব্লকেই যাতে ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চালানো হয়, তার আর্জি কৃষিদপ্তরের কাছে জানানো হয়েছে।
লালবাগের চাষি মহম্মদ হান্নান রহমান বলেন, এই সময় ১০:২৬:২৬ ও ডিএপি সারের চাহিদা ভালো রয়েছে। দোকানে গেলে কম স্টক থাকার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়া হয়। আবার কখনও একটি সারের সঙ্গে অন্যান্য জিনিস কেনার জন্য জোর জবরদস্তি করা হয়। অনেক সারের দোকানদার সার বিক্রির পরে ঠিকমতো রসিদ দেন না। কৃষিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালালে খুবই সুবিধা হবে। হরিহরপাড়ার চাষি রতন ঘোষ বলেন, শীতের সময় প্রতিবছর সারের চাহিদা বাড়ে। সেই জন্য ব্যবসায়ীরা অনেক সময় স্টক নেই বলে কম পরিমাণে সার দিতে থাকে। অনেক জায়গায় বাড়তি দাম নেওয়া হয়। সেজন্য আমরা বহরমপুর থেকে সার কিনে আনি। তবে এবছর মরশুমের প্রথম থেকে নজরদারি দল বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শন করার ফলে সুবিধা হয়েছে। সারা বছর যাতে এভাবে সারের কালোবাজারি রুখতে পরিদর্শন জারি থাকে, সেই জন্য কৃষিদপ্তরকে আমরা অনুরোধ করব।



