Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সারের কালোবাজারি রুখতে দোকানে দোকানে অভিযান কৃষিদপ্তরের

সারের কালোবাজারি রুখতে দোকানে দোকানে অভিযান কৃষিদপ্তরের
  • ২৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: রবি চাষ শুরুর মুখেই সার নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করে উত্তর দিনাজপুর জেলায়। ইতিমধ্যে জেলাশাসকের দপ্তরেও জমা পড়েছে স্মারকলিপি। এমন অবস্থায় দু’দিন ধরে দোকানে দোকানে অভিযানে নামলেন জেলা কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ডালখোলার পূর্ণিয়া মোড়, তিন মাইল রোড, সোনাপুর হাটের বিভিন্ন সারের দোকানে যান তাঁরা। রাস্তাঘাটে সার বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া ক্রেতাদের দাঁড় করিয়েও তাঁরা রশিদ পরীক্ষা করেন। জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, অভিযানে কিছু অনিয়ম ধরা পড়ায় দু’জন সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করতে চলেছে দপ্তর। মূলত অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত রবি চাষ হয়। এই জেলার ক্ষেত্রে রবি মরশুমে ভুট্টা, গম, আলু সহ ফুলকপি, বাঁধাকপি, লঙ্কা ও শীতের শাকসব্জির চাষ হয়। এরমধ্যে ভুট্টা, গম, আলুর জন্যই নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে তুঙ্গে থাকে সারের চাহিদা। আর এই সময়কেই একাংশ অসাধু ব্যবসায়ী সার নিয়ে অযথা কালোবাজারির চেষ্টা করে। আর চাষিরাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাষের শুরুর জন্য সার কিনতে মরিয়া থাকেন। তাই অযথা সারের আকাল বলে গুজব রটিয়ে বেশি দামে সার বিক্রির চেষ্টা হয়। এমনকী এমআরপি’র থেকেও বেশি দামে সার বিক্রি হয় এই সময়। তাই দু’দিন ধরে এই অভিযান। উত্তর দিনাজপুর জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, আমাদের লোকবল সীমিত। কিন্তু সার নিয়ে অনিয়ম রুখতে আমরা যথাসাধ্য নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে এদিন আমরা চোপড়া ব্লকের তিন মাইল রোড এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়েছি। আমাদের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে একজন সার ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে চলে গিয়েছিল। শেষপর্যন্ত আমরা তার নানা নথিপত্র ও দোকানে সারের মজুতদারি খতিয়ে দেখি। কয়েকটি ক্ষেত্রের অনিয়ম মিলেছে। আমরা দুই সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করতে চলেছি। - নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ