মুম্বই, ৪ মার্চ: শেষরক্ষা হল না। বিড জেলায় সরপঞ্চ খুনের ঘটনায় অবশেষে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন মহারাষ্ট্রের খাদ্যমন্ত্রী ধনঞ্জয় মুন্ডে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। কারণ হিসেবে ভগ্ন স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ করেছেন অজিতপন্থী এনসিপির এই নেতা। যদিও মুন্ডের ইস্তফাতে মোটেই সন্তুষ্ট নয় বিরোধী শিবির। ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন মহাযুতি সরকারকে অপসারণে দাবি জানিয়েছেন উদ্ধবপন্থী শিবসেনা নেতা আদিত্য থ্যাকারে। তাঁর দাবি, গোটা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর একমুহূর্তও গদিতে থাকার অধিকার নেই ফড়নবিশের।
Advertisement
তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় খুন হতে হন বিড জেলার মাসাজোগ গ্রামের সরপঞ্চ সন্তোষ দেশমুখ। গত ৯ ডিসেম্বর তাঁকে অপরহণ করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। প্রবল চাপের মুখে আত্মসমর্পণ করেছিল এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত বাল্মিক কারাদ। ধনঞ্জয় মুন্ডের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সে। যে কারণে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে মুন্ডের ইস্তফার দাবিতে সরব ছিল বিরোধীরা। এর মধ্যে গত সোমবার নিহত সরপঞ্চের ছবি ভাইরাল হয়। তার পরে মুন্ডের ইস্তফার দাবি আরও জোরাল হতে থাকে। চাপে পড়ে যায় রাজ্য সরকারও। জানা গিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার সকালে আপ্তসহায়ক প্রশান্ত ভামরে এবং অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি প্রশান্ত জোশির মাধ্যমে ইস্তফাপত্র মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পাঠিয়ে দেন বিতর্কিত এই এনসিপি নেতা।
পরে বিধানসভা চত্বরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুন্ডে আমার কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সেটি রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়েছে।’ যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর ফড়নবিশ দেননি। নৈতিকতার কারণে মুন্ডে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজে্যর উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। তার এই বক্তব্যের প্রতিধ্বনী শোনা গেল সদ্য পদত্যাগী এই মন্ত্রীর কথাতেও। কার্যত সাফাইয়ের সুরে ধনঞ্জয় মুন্ডে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন, ‘মাসাজোগ গ্রামের সরপঞ্চ সন্তোষ দেশমুখ খুন হওয়ার দিন থেকেই দোষীদের কঠোর শাস্তর দাবি উঠেছে। গতকাল ভাইরাল হওয়া তাঁর ছবি দেখে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। কোর্টে চার্জশিটও জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারবিভাগীয় তদন্তের প্রস্তাব আছে। তার পরেও নৈতিক কারণে আমি ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া গত কয়েকদিন থেকে আমার শরীরও ভালো যাচ্ছে না। এটাও একটা কারণ।’
পরে বিধানসভা চত্বরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুন্ডে আমার কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সেটি রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়েছে।’ যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর ফড়নবিশ দেননি। নৈতিকতার কারণে মুন্ডে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজে্যর উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। তার এই বক্তব্যের প্রতিধ্বনী শোনা গেল সদ্য পদত্যাগী এই মন্ত্রীর কথাতেও। কার্যত সাফাইয়ের সুরে ধনঞ্জয় মুন্ডে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন, ‘মাসাজোগ গ্রামের সরপঞ্চ সন্তোষ দেশমুখ খুন হওয়ার দিন থেকেই দোষীদের কঠোর শাস্তর দাবি উঠেছে। গতকাল ভাইরাল হওয়া তাঁর ছবি দেখে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। কোর্টে চার্জশিটও জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারবিভাগীয় তদন্তের প্রস্তাব আছে। তার পরেও নৈতিক কারণে আমি ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া গত কয়েকদিন থেকে আমার শরীরও ভালো যাচ্ছে না। এটাও একটা কারণ।’



