মুম্বই: সরপঞ্চ খুনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঘনিষ্ঠ সঙ্গীকে। এজন্য চাপে পড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও সরবরাহমন্ত্রী তথা অজিতপন্থী এনসিপির নেতা ধনঞ্জয় মুন্ডে। শেষপর্যন্ত ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন তিনি। এই ঘটনায় শাসক শিবিরকে চেপে ধরেছে বিরোধীরা।
Advertisement
গত বছরের ডিসেম্বরে বিদ জেলার মাসাজোগ গ্রামের সরপঞ্চ সন্তোষ দেশমুখকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে খুন করা হয়। সেই ঘটনার নাম জড়ায় ধনঞ্জয়ের অন্যতম সঙ্গী ওয়ালমিক করদের। ওয়ালমিক সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তারপর থেকেই মন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে আসছিল বিরোধীরা। ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় সিআইডি ১ হাজার ২০০ পাতার চার্জশিট জমা দেয়। তারপরই সন্তোষকে পিটিয়ে খুনের ঘটনার একাধিক ছবি সামনে আসে। এই ঘটনায় রাজ্যের বিজেপি জোট সরকারের অস্বস্তিও বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ধনঞ্জয়। এরপরই তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। পরে ফড়নবিশ ধনঞ্জয়ের পদত্যাগপত্র রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা জানান।
ইস্তফার আগে এক্স হ্যান্ডলে ধনঞ্জয় জানান, অন্তরাত্মার ডাকে সাড়া দিয়েই মন্ত্রীপদ ছাড়ছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি নিজের অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য, গত মাসেই মুন্ডে জানিয়েছিলেন, তিনি বেলস পালসিতে আক্রান্ত।
অজিতের দলের মন্ত্রীর ইস্তফার পরই শাসক জোটের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিতে চলেছে বিরোধী জোট মহাবিকাশ আঘাড়ি। শারদপন্থী এনসিপির নেতা জয়ন্ত পাটিল দাবি করেছেন, বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন চলছে। তাই মন্ত্রীর ইস্তফার বিষয়টি প্রথমে বিধানসভায় ঘোষণা করা উচিত ছিল। অথচ মুখ্যমন্ত্রী আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। এর ফলে স্বাধিকার ভঙ্গ হয়েছে। ধনঞ্জয়ের আগেই ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন শারদপন্থী এনসিপির সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। সরকারের কাছে খুনের ছবি ও অন্যান্য ফুজেট থাকলেও কেন ৮৪ দিন অপেক্ষা করতে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী পঙ্কজা মুন্ডেও জানিয়েছেন, আরও আগেই মর্যাদার সঙ্গে ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল ধনঞ্জয়ের। উল্লেখ্য, পঙ্কজা ধনঞ্জয়ের তুতো দিদি।
মুম্বইয়ের একটি ‘গ্রিন এনার্জি’ সংস্থা বিদের মাসাজোগ গ্রামে বায়ুশক্তি প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ নেয়। অভিযোগ, ওয়ালমিকের নির্দেশে দুষ্কৃতীরা ওই সংস্থার কর্মীদের অপহরণ, ভয় দেখাতে শুরু করে। ওই প্রকল্পের জন্য ২ কোটি টাকা তোলা দাবি করেন ওয়ালমিক। কিন্তু তাতে বাধ সাধেন সন্তোষ। গ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করেন। এরপরই ওয়ালমিকের লোকজন তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিদ জেলায় মুন্ডে পরিবারের প্রভাব ব্যাপক। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গোপীনাথ মুন্ডের ছোটখাটো কর্মী হিসেবে কাজ করতেন ওয়ালমিক। ক্রমশ নিজেও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন ধনঞ্জয়ের এই ঘনিষ্ঠ সঙ্গী।
ইস্তফার আগে এক্স হ্যান্ডলে ধনঞ্জয় জানান, অন্তরাত্মার ডাকে সাড়া দিয়েই মন্ত্রীপদ ছাড়ছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি নিজের অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য, গত মাসেই মুন্ডে জানিয়েছিলেন, তিনি বেলস পালসিতে আক্রান্ত।
অজিতের দলের মন্ত্রীর ইস্তফার পরই শাসক জোটের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিতে চলেছে বিরোধী জোট মহাবিকাশ আঘাড়ি। শারদপন্থী এনসিপির নেতা জয়ন্ত পাটিল দাবি করেছেন, বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন চলছে। তাই মন্ত্রীর ইস্তফার বিষয়টি প্রথমে বিধানসভায় ঘোষণা করা উচিত ছিল। অথচ মুখ্যমন্ত্রী আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। এর ফলে স্বাধিকার ভঙ্গ হয়েছে। ধনঞ্জয়ের আগেই ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন শারদপন্থী এনসিপির সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। সরকারের কাছে খুনের ছবি ও অন্যান্য ফুজেট থাকলেও কেন ৮৪ দিন অপেক্ষা করতে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী পঙ্কজা মুন্ডেও জানিয়েছেন, আরও আগেই মর্যাদার সঙ্গে ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল ধনঞ্জয়ের। উল্লেখ্য, পঙ্কজা ধনঞ্জয়ের তুতো দিদি।
মুম্বইয়ের একটি ‘গ্রিন এনার্জি’ সংস্থা বিদের মাসাজোগ গ্রামে বায়ুশক্তি প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ নেয়। অভিযোগ, ওয়ালমিকের নির্দেশে দুষ্কৃতীরা ওই সংস্থার কর্মীদের অপহরণ, ভয় দেখাতে শুরু করে। ওই প্রকল্পের জন্য ২ কোটি টাকা তোলা দাবি করেন ওয়ালমিক। কিন্তু তাতে বাধ সাধেন সন্তোষ। গ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করেন। এরপরই ওয়ালমিকের লোকজন তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিদ জেলায় মুন্ডে পরিবারের প্রভাব ব্যাপক। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গোপীনাথ মুন্ডের ছোটখাটো কর্মী হিসেবে কাজ করতেন ওয়ালমিক। ক্রমশ নিজেও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন ধনঞ্জয়ের এই ঘনিষ্ঠ সঙ্গী।



