সংবাদদাতা, মানিকচক: জনসংযোগে বেরিয়ে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা পরিদর্শন করে বিস্তর অভিযোগ করার পর সংরক্ষিত জায়গার লাইভ ভিডিও করে চরম বিতর্কে মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিত্ মণ্ডল। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অভীক শঙ্কর কুমারের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া হাসপাতালের চেম্বারে প্রবেশ, চিকিৎসক ও কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন যুব তৃণমূল সভাপতি। তাঁর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রও। তিনি বলেন, পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে তা নেতৃত্বকে আগে জানাতে হবে। বিশ্বজিত্ কোনও কিছু না জানিয়ে যে কাজ করছেন, তা একেবারে দল বিরোধী। আমি রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি জানিয়েছি।
Advertisement
রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে নিজ নিজ বিধানসভায় জনসংযোগ ও ভুয়ো ভোটার খোঁজার কাজ চলছে। সোমবার মানিকচকের লাইব্রেরি বুথে জনসংযোগ কর্মসূচিতে যান বিশ্বজিৎ সহ এলাকার যুব তৃণমূলের কর্মীরা। মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে পরিষেবা নিয়ে সরব হন তিনি। হাসপাতালে পৌঁছে প্রথমেই কথা বলেন চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের সঙ্গে। এরপর হাসপাতালের মহিলা, পুরুষ বিভাগ, এমার্জেন্সি, আউটডোর সহ বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন। কথা বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গেও। পরবর্তীতে বিশ্বজিত্ ছুটে যান ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কক্ষে। অবশ্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন না আধিকারিক। বিশ্বজিৎকে সেখানে কেউ জানান ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক রোগী দেখছেন। দেখা যায় সেখানে রোগী থাকলেও ছিলেন না ওই আধিকারিক। আর এই সমস্ত ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ ভিডিও করে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন বিশ্বজিত্। তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এবিষয়ে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন সংরক্ষিত জায়গার লাইভ ভিডিও করা হয়েছে। আমার অনুপস্থিতিতে অনুমতি ছাড়া দপ্তরে প্রবেশ করেছেন এবং ভিডিও করেছেন বিশ্বজিত্। পরিষেবা নিয়ে চিকিৎসক ও কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বলে জানতে পেরেছি। এদিন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকার কারণে হাসপাতালের বাইরে ছিলাম। সমস্ত ঘটনা রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানিয়েছি।
কিছুদিন আগে জনসংযোগ করতে গিয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতির হার নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন বিশ্বজিত্। যার সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন স্কুলের শিক্ষকরা। তাঁদের দাবি ছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে। বিতর্ক প্রসঙ্গে বিশ্বজিত্ বলেন,হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ পাচ্ছিলাম বলে জনসংযোগে গিয়ে পরিদর্শন করি। এলাকাবাসীদের অভিযোগ সত্যি। সঠিক পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে না। টাকার বিনিময়ে চেম্বারে রোগী দেখা হচ্ছে। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে টাকা নিয়ে। চিকিৎসক বা কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি। অনেক চেষ্টা করেও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বিষয়টি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাব।
কিছুদিন আগে জনসংযোগ করতে গিয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতির হার নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন বিশ্বজিত্। যার সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন স্কুলের শিক্ষকরা। তাঁদের দাবি ছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে। বিতর্ক প্রসঙ্গে বিশ্বজিত্ বলেন,হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ পাচ্ছিলাম বলে জনসংযোগে গিয়ে পরিদর্শন করি। এলাকাবাসীদের অভিযোগ সত্যি। সঠিক পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে না। টাকার বিনিময়ে চেম্বারে রোগী দেখা হচ্ছে। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে টাকা নিয়ে। চিকিৎসক বা কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি। অনেক চেষ্টা করেও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বিষয়টি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাব।



