নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সরকারকে কবে ধান বিক্রি করতে চান? নিজের পছন্দমতো দিন চূড়ান্ত করবেন কৃষক। তিনি যেদিন চাইবেন, সেদিনই তাঁর ‘দুয়ারে’ গিয়ে সহায়কমূল্যে ধান কিনবে প্রশাসন। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াংগেল লামা। তিনি বলেন, ধান বিক্রির জন্য জেলায় মোট ৮৫টি কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরমধ্যে খাদ্যদপ্তরের ৩১টি ক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। রাখা হয়েছে সাতটি ভ্রাম্যমাণ ক্রয় কেন্দ্র। কৃষক যদি মনে করেন, তিনি বাড়ি থেকেই ধান বিক্রি করবেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এক্ষেত্রে কৃষক যেদিন ধান বিক্রি করতে চাইবেন, সেদিনই কেনা হবে। তিনদিনের মধ্যে ধান বিক্রি বাবদ কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।
Advertisement
তবে, গত ২ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সেভাবে কৃষকরা ফসল বিক্রি করেননি। জেলাশাসক শমা পারভীন অবশ্য মনে করছেন, এখনও মাঠে ধান রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে পুরোদমে ধান বিক্রি শুরু করবেন কৃষকরা। তিনি বলেন, আমরা ধান কেনার টার্গেট পূরণ করতে পারব বলে আশাবাদী।
গত বছর অবশ্য জলপাইগুড়িতে সহায়কমূল্যে ধান কেনার টার্গেট পূরণ হয়নি। সেকারণে এবার লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকটাই। গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ধান কেনার টার্গেট দেওয়া হয়েছিল ২ লক্ষ ৩২ হাজার টন। সেখানে মাত্র ১ লক্ষ ৩৩ হাজার টন কিনতে সক্ষম হয় খাদ্যদপ্তর। এবার লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে করা হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টন।
গত বছর অবশ্য জলপাইগুড়িতে সহায়কমূল্যে ধান কেনার টার্গেট পূরণ হয়নি। সেকারণে এবার লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকটাই। গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ধান কেনার টার্গেট দেওয়া হয়েছিল ২ লক্ষ ৩২ হাজার টন। সেখানে মাত্র ১ লক্ষ ৩৩ হাজার টন কিনতে সক্ষম হয় খাদ্যদপ্তর। এবার লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে করা হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টন।



