সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সরকারি সাঁওতালি মাধ্যম উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নিজেদের টাকায় লিফলেট ছাপিয়ে, মাইকিং করে গ্রামে গ্রামে প্রচার করছে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন। আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা যাতে সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, সেজন্য আবেদন করছে তারা। এবছর অলচিকি হরফ আবিষ্কারের শতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। তাই মিশন ২০২৫-কে সামনে রেখে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন জোর প্রচার করছে। আদিবাসীদের বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানেও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। সাঁতুড়ি চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরজিৎ রায় বলেন, সরকারি সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যেভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে, তা প্রশংসনীয়।
Advertisement
পুরুলিয়ায় পাঁচটি সাঁওতালি মাধ্যম উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কাশীপুর ব্লকে রয়েছে সোনাইজুড়ি তিলকা মুর্মু ও লহাট উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়। সাঁতুড়ি ব্লকে টাড়াবাড়ি কবি সারদাপ্রসাদ কিস্কু, কেশরপুর কুশাল বাস্কে ও খাড়বাড় সাধু রামচাঁদ মুর্মু নামে তিনটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া, বান্দোয়ান ব্লকে শিশিরগোড়া জুনিয়র হাইস্কুল রয়েছে। জেলাজুড়ে আরও সাঁওতালি মাধ্যমের প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
বর্তমানে সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা সেসব বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইছে না। আবার সাঁওতাল ছাত্রছাত্রীরা বাংলা মাধ্যমে পড়তে গেলেও ভাষাগত সমস্যায় পড়ছে। তাই আদিবাসী বিভিন্ন সংগঠন চাইছে, তাদের সমাজের ছাত্রছাত্রীরা যাতে মাতৃভাষায় পড়াশোনা করে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে। সেজন্যই তারা এই প্রচারে নেমেছে।
সাঁওতালি শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদক শত্রুঘ্ন মুর্মু বলেন, ১৯২৫ সালে অলচিকি লিপি আবিষ্কার হয়। এবছর তার ১০০বছর পূর্ণ করছে। তাই মিশন ২০২৫-কে সামনে রেখে আদিবাসীদের মধ্যে শিক্ষা প্রসারে জোর দিয়েছি। কারণ শিক্ষার মাধ্যমেই সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব। ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের তরফেও এরকম প্রচার চলছে।
সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার অভাব রয়েছে। কিছু বিদ্যালয়ে কয়েকজন স্থায়ী ও অতিথি শিক্ষক রয়েছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ের ভরসা স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকরা। এসব বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষের অভাবও রয়েছে। গ্রুপ সি ও ডি’র কর্মী নেই।
লহাট উচ্চবিদ্যালয়ের টিআইসি সদানন্দ হাঁসদা বলেন, ছাত্রছাত্রীরা বুঝতে পেরেছে, নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন শিক্ষা। তাই নানা অসুবিধা থাকলেও ছাত্রছাত্রীরা সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। তবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। কারণ পুরুলিয়ায় সাঁওতালি মাধ্যমের কোনও কলেজ নেই। তাই আমরা এই মাধ্যমের কলেজ চালুর দাবি জানিয়েছি।
বর্তমানে সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা সেসব বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইছে না। আবার সাঁওতাল ছাত্রছাত্রীরা বাংলা মাধ্যমে পড়তে গেলেও ভাষাগত সমস্যায় পড়ছে। তাই আদিবাসী বিভিন্ন সংগঠন চাইছে, তাদের সমাজের ছাত্রছাত্রীরা যাতে মাতৃভাষায় পড়াশোনা করে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে। সেজন্যই তারা এই প্রচারে নেমেছে।
সাঁওতালি শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদক শত্রুঘ্ন মুর্মু বলেন, ১৯২৫ সালে অলচিকি লিপি আবিষ্কার হয়। এবছর তার ১০০বছর পূর্ণ করছে। তাই মিশন ২০২৫-কে সামনে রেখে আদিবাসীদের মধ্যে শিক্ষা প্রসারে জোর দিয়েছি। কারণ শিক্ষার মাধ্যমেই সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব। ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের তরফেও এরকম প্রচার চলছে।
সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার অভাব রয়েছে। কিছু বিদ্যালয়ে কয়েকজন স্থায়ী ও অতিথি শিক্ষক রয়েছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ের ভরসা স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকরা। এসব বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষের অভাবও রয়েছে। গ্রুপ সি ও ডি’র কর্মী নেই।
লহাট উচ্চবিদ্যালয়ের টিআইসি সদানন্দ হাঁসদা বলেন, ছাত্রছাত্রীরা বুঝতে পেরেছে, নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন শিক্ষা। তাই নানা অসুবিধা থাকলেও ছাত্রছাত্রীরা সাঁওতালি মাধ্যমের বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। তবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। কারণ পুরুলিয়ায় সাঁওতালি মাধ্যমের কোনও কলেজ নেই। তাই আমরা এই মাধ্যমের কলেজ চালুর দাবি জানিয়েছি।



