সংবাদদাতা, কালিয়াচক: সরকারপোষিত হাইস্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি বেসরকারি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার কেবিএস হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক শুকচাঁদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এমনই। ঘটনাটি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের হতেই নড়েচড়ে বসেছে জেলা শিক্ষাদপ্তর। সরকারি স্কুলের শিক্ষক কিভাবে এই কাজ করে চলেছেন, কেনই বা এতদিন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক শুকচাঁদ মণ্ডল বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৬ সালে বৈষ্ণবনগর এলাকায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার শুকচাঁদ মণ্ডল। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজনের শেয়ার রয়েছে ওই প্রতিষ্ঠানের। অধিকাংশই বিভিন্ন স্কুলের সহকারী শিক্ষক বলে অভিযোগ।
কোনও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই অবৈধভাবে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির আবাসিক এবং অনাবাসিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি নিতে শুরু করে তারা। বিনিময়ে নেওয়া হতো মোটা টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন হাইস্কুলের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করানো হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পরীক্ষাও দেওয়ানোর ব্যবস্থাও করা হয়। এই আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীর অভিভাবক রেজাউল শেখ বলেন, আমার মেয়েকে আমি এলাকার একটি হাইস্কুলে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু শুকচাঁদ মণ্ডল সহ ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজন আমাদের বাড়িতে এসে তাদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে বলেন। আমার সেরকম আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। কিন্তু তাদের কথায় সেখানে ভর্তি করতেই মাসে মাসে ৬০০০ টাকা গুনতে হত। তাঁর বক্তব্য, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন এবং অ্যাডমিট কার্ডের ফর্ম ফিলাপের জন্য নেওয়া হত অতিরিক্ত হাজার তিনেক টাকা। আর সেই অতিরিক্ত টাকা না দিলে আটকে রাখা হত রেজিস্ট্রেশন ও অ্যাডমিট। বকেয়া না মেটালেও ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হতো মানসিক নির্যাতন।
এলাকার এক বাসিন্দা শ্যামল মণ্ডল বলেন, এই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কেবিএস এবং বৈষ্ণবনগর দুই হাইস্কুলের একাংশ শিক্ষক চালান। নিজেদের স্কুলে হাজিরা খাতায় সই করেই কেউ কেউ চলে আসেন এই প্রতিষ্ঠানে। তাঁর অভিযোগ, গরীব মানুষের সম্বল সরকার পোষিত হাইস্কুল। কিন্তু সেখানেই শিক্ষা মিলছে না। অথচ সরকার পোষিত হাইস্কুলের শিক্ষকদের তৈরি করা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকার বিনিময়ে শিক্ষাদান চলছে। এই ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা পরিদর্শক বাণীব্রত দাস জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুতর। অভিযোগের পরই ওই শিক্ষককে শো-কজ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলেই জোরকদমে তদন্ত হবে।
কোনও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই অবৈধভাবে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির আবাসিক এবং অনাবাসিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি নিতে শুরু করে তারা। বিনিময়ে নেওয়া হতো মোটা টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন হাইস্কুলের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করানো হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পরীক্ষাও দেওয়ানোর ব্যবস্থাও করা হয়। এই আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীর অভিভাবক রেজাউল শেখ বলেন, আমার মেয়েকে আমি এলাকার একটি হাইস্কুলে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু শুকচাঁদ মণ্ডল সহ ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজন আমাদের বাড়িতে এসে তাদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে বলেন। আমার সেরকম আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। কিন্তু তাদের কথায় সেখানে ভর্তি করতেই মাসে মাসে ৬০০০ টাকা গুনতে হত। তাঁর বক্তব্য, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন এবং অ্যাডমিট কার্ডের ফর্ম ফিলাপের জন্য নেওয়া হত অতিরিক্ত হাজার তিনেক টাকা। আর সেই অতিরিক্ত টাকা না দিলে আটকে রাখা হত রেজিস্ট্রেশন ও অ্যাডমিট। বকেয়া না মেটালেও ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হতো মানসিক নির্যাতন।
এলাকার এক বাসিন্দা শ্যামল মণ্ডল বলেন, এই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কেবিএস এবং বৈষ্ণবনগর দুই হাইস্কুলের একাংশ শিক্ষক চালান। নিজেদের স্কুলে হাজিরা খাতায় সই করেই কেউ কেউ চলে আসেন এই প্রতিষ্ঠানে। তাঁর অভিযোগ, গরীব মানুষের সম্বল সরকার পোষিত হাইস্কুল। কিন্তু সেখানেই শিক্ষা মিলছে না। অথচ সরকার পোষিত হাইস্কুলের শিক্ষকদের তৈরি করা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকার বিনিময়ে শিক্ষাদান চলছে। এই ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা পরিদর্শক বাণীব্রত দাস জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুতর। অভিযোগের পরই ওই শিক্ষককে শো-কজ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলেই জোরকদমে তদন্ত হবে।



