Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সরকারি স্কুলে ৩৩ জনের ট্রান্সফার অর্ডার ঘিরে ভূরি ভূরি অভিযোগ

সরকারি স্কুলে ৩৩ জনের ট্রান্সফার অর্ডার ঘিরে ভূরি ভূরি অভিযোগ
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি স্কুলগুলিতে এক লপ্তে ৩৩ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার বদলির অর্ডার জারি করল শিক্ষাদপ্তর। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতার হিন্দু স্কুলে বদলি করা হয়েছে একজন শিক্ষিকাকে। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের একটি সংগঠনের নেতা সৌগত বসু বলেন, ‘এটা নিয়মবিরুদ্ধ। কোনও সরকারি বয়েজ স্কুলে কোনও শিক্ষিকাকে নিয়োগ বা বদলি করা যায় না।’ শুধু এটাই নয়, এই বদলি ঘিরে উঠেছে ভূরি ভূরি অভিযোগ। একদিকে যেমন দীর্ঘদিন বদলির প্রত্যাশী বর্ষীয়ান শিক্ষকদের অগ্রাহ্য করা হয়েছে। তেমনই একেবারে নতুন শিক্ষকদের তুলে আনা হয়েছে কলকাতায়। বদলির আবেদনই জানাননি, এমন এক শিক্ষিকাকে পুরুলিয়া থেকে কলকাতার একটি সরকারি স্কুলে আনা হয়েছে। ক্যানিং বা নামখানার মতো এলাকা থেকে কলকাতার স্কুলে দু’জন শিক্ষককে আনা হয়েছে। অথচ, কৃষ্ণনগরে কর্মরত এক প্রবীণ শিক্ষক অবসরের পূর্বে কলকাতায় আসার আবেদন জানিয়েছিলেন। সেটি গুরুত্ব পায়নি। আরও একটি বিষয়ে বিতর্ক হচ্ছে। বেশ পুরনো এবং ঐতিহ্যশালী যে ৩৯টি সরকারি স্কুল রয়েছে, আগে সেই স্কুলগুলির মধ্যেই শিক্ষক বদলি হতো। তবে, সাম্প্রতিককালে কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ প্রকল্প বিআইজিএস পরিচালিত মডেল স্কুল এবং নিউ ইন্টিগ্রেটেড স্কুল থেকেও শিক্ষকদের এই প্রাচীন স্কুলগুলিতে বদলির ধারা শুরু হয়েছে। এই অর্ডারেও সেই ধারা বজায় রাখা হয়েছে।
Advertisement
শিক্ষামহলের মতে, ঐতিহ্যশালী স্কুলগুলিতে যে পদ্ধতিতে নিয়োগ হয়, তার চেয়ে মডেল স্কুল বা নিউ ইন্টিগ্রেটেড স্কুলগুলির নিয়োগ পদ্ধতি আলাদা। ফলে শিক্ষকদের মানেও তফাৎ হয়। সমস্ত শিক্ষককে এক করে ফেললে প্রাচীন স্কুলগুলির মান কমে যাবে বলে আশঙ্কা করছে তারা। আরেকটি শিক্ষক সংগঠনের নেতা সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘বদলি প্রয়োজনীয়। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেক যোগ্য শিক্ষকই বদলির সুযোগ পাননি। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, বিষয়গুলি ফের খতিয়ে দেখা হোক।’ 
সম্পর্কিত সংবাদ